রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য নির্ধারিত ইউরেনিয়ামের চালান আগামী অক্টোবর মাস থেকে বাংলাদেশে আসা শুরু হবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে প্রকল্পটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রসাটম। রুশ রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চুক্তির শর্ত এবং প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে মিল রেখে আগামী অক্টোবর থেকে শুরু করে ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এর আগে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য নির্ধারিত ইউরেনিয়ামের একটি চালান যথাসময়ে রাশিয়া থেকে পৌঁছাতে পারেনি। প্রকল্প পরিচালক কবির হোসেন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত প্রথম ফ্লাইটসহ মোট দুটি ফ্লাইটে ইউনিট-ওয়ানের জন্য ৪৮টি অ্যাসেম্বলড ফুয়েল আসার কথা ছিল। কিন্তু আকাশসীমার অনুমতি না পাওয়ায় ২৪ তারিখের চালানটি স্থগিত করা হয়, যা পরবর্তীতে আগামী ১ অক্টোবর থেকে আসার নতুন শিডিউল নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইভাবে রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম লোডের সম্পূর্ণ জ্বালানি ৭টি পৃথক ফ্লাইটে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সাধারণত কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করে এই সংবেদনশীল ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে বহন করা হয়। সংশ্লিষ্ট রুটগুলোর সব দেশের কাছ থেকে কূটনৈতিক পথে দ্রুত আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।






















