Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ সম্প্রতি এমন দাবি করেছেন। তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে চীনের আপত্তির জবাব দিতে গিয়ে ট্রাম্প এক পর্যায়ে শি জিনপিংকে সরাসরি প্রশ্ন করেছিলেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে আগ্রহী কি না।

রোববার ফক্স নিউজের ‘ফক্স নিউজ সানডে’ অনুষ্ঠানে ডেভিড পারডিউ এই তথ্য জানান। তবে ট্রাম্প ঠিক কখন শি জিনপিংকে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি। এই বক্তব্যটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন মাত্র কয়েক দিন আগে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে দুই দেশের পুরোনো বিরোধ আবার আলোচনায় এসেছে।

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি চীনের জন্য দীর্ঘদিনের আপত্তির বিষয়। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখে এবং তাইওয়ানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক ও অস্ত্র বিক্রির তীব্র বিরোধিতা করে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও দ্বীপটির আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। মার্কিন আইনের অধীনেও তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার উপকরণ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত পারডিউ বলেন, তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে চীনের আপত্তির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের যুক্তি ছিল—যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছেই অস্ত্র বিক্রি করে। এ প্রসঙ্গেই তিনি শি জিনপিংকে অস্ত্র কেনার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তবে চীন ওই প্রস্তাবে কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, সে বিষয়ে পারডিউ কোনো তথ্য দেননি।

ট্রাম্প-শি জিনপিংয়ের বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন পর এমন বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গত ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে শি জিনপিংয়ের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় দুই নেতা বাণিজ্য, সামরিক যোগাযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। হোয়াইট হাউস বৈঠকটিকে ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে বৈঠকের পর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক বিবৃতিতে তাইওয়ানসহ কয়েকটি মৌলিক বিরোধের কোনো বড় সমাধানের কথা উঠে আসেনি।

তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের অবস্থানও বৈঠকের সময় স্পষ্ট ছিল। ওয়াশিংটনে ব্যক্তিগত আলোচনায় শি জিনপিং ট্রাম্পকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিষয়ে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ সম্প্রতি এমন দাবি করেছেন। তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে চীনের আপত্তির জবাব দিতে গিয়ে ট্রাম্প এক পর্যায়ে শি জিনপিংকে সরাসরি প্রশ্ন করেছিলেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে আগ্রহী কি না।

রোববার ফক্স নিউজের ‘ফক্স নিউজ সানডে’ অনুষ্ঠানে ডেভিড পারডিউ এই তথ্য জানান। তবে ট্রাম্প ঠিক কখন শি জিনপিংকে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি। এই বক্তব্যটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন মাত্র কয়েক দিন আগে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে দুই দেশের পুরোনো বিরোধ আবার আলোচনায় এসেছে।

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি চীনের জন্য দীর্ঘদিনের আপত্তির বিষয়। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখে এবং তাইওয়ানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক ও অস্ত্র বিক্রির তীব্র বিরোধিতা করে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও দ্বীপটির আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। মার্কিন আইনের অধীনেও তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার উপকরণ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত পারডিউ বলেন, তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে চীনের আপত্তির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের যুক্তি ছিল—যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছেই অস্ত্র বিক্রি করে। এ প্রসঙ্গেই তিনি শি জিনপিংকে অস্ত্র কেনার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তবে চীন ওই প্রস্তাবে কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, সে বিষয়ে পারডিউ কোনো তথ্য দেননি।

ট্রাম্প-শি জিনপিংয়ের বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন পর এমন বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গত ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে শি জিনপিংয়ের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় দুই নেতা বাণিজ্য, সামরিক যোগাযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। হোয়াইট হাউস বৈঠকটিকে ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে বৈঠকের পর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক বিবৃতিতে তাইওয়ানসহ কয়েকটি মৌলিক বিরোধের কোনো বড় সমাধানের কথা উঠে আসেনি।

তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের অবস্থানও বৈঠকের সময় স্পষ্ট ছিল। ওয়াশিংটনে ব্যক্তিগত আলোচনায় শি জিনপিং ট্রাম্পকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিষয়ে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন।