দেশের সাধারণ মানুষের পুষ্টি ও আমিষের ঘাটতি পূরণে মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষের পরিমাণ বহুগুণে বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সংসদ ভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
স্পিকার তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশের জনগণের আমিষের চাহিদা মেটাতে মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সারা দেশের আনাচে-কানাচে মৎস্য চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় সংসদ ভবন লেকে পর্যায়ক্রমে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল মৎস্য উৎপাদন এবং আহরণের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদ ভবন লেকে মাছ চাষের এই উদ্যোগের মাধ্যমে মূলত গ্রামাঞ্চলের জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ দেশের মৎস্যসম্পদ উৎপাদনে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা নিশ্চিত করতে মাছ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। “আমাদের সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে এবং মাছে-ভাতে বাঙালি”—এই ঐতিহাসিক স্লোগানের প্রকৃত বাস্তবায়ন ঘটাতে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের আনাচে-কানাচে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির আওতায় সংসদ ভবন লেকে মোট ১২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হবে। এরই অংশ হিসেবে আজ প্রথম দিনে রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশ জাতীয় মোট ২৫০ কেজি পোনামাছ লেকে অবমুক্ত করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।






















