Dhaka ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাতঙ্কে মৃত্যু কমানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

রোগ হওয়ার পর তা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, সঠিক সময়ে সচেতনতা তৈরি এবং যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ হওয়ার পর দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও প্রান্তিক ও গ্রামীণ পর্যায়ে এখনো এ বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব রয়েছে, যার ফলে সেসব এলাকায় মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়। এই প্রেক্ষাপটে শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়েও জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং আগের মতো সারা দেশে এই কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। জনগণের কল্যাণ ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ বর্তমানে খাদ্যনিরাপক্ষার পাশাপাশি তারা যে প্রাণীটি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করছে তা রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও সচেতন হয়ে উঠছে।

প্রাণির রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকায় প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। দেশের প্রান্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের বহুমুখী ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রাণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক। প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে আরও বেশি সেমিনার, প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের তদারকি আরও বাড়ানোর কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাতঙ্কে মৃত্যু কমানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোগ হওয়ার পর তা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, সঠিক সময়ে সচেতনতা তৈরি এবং যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ হওয়ার পর দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও প্রান্তিক ও গ্রামীণ পর্যায়ে এখনো এ বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব রয়েছে, যার ফলে সেসব এলাকায় মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়। এই প্রেক্ষাপটে শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়েও জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং আগের মতো সারা দেশে এই কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। জনগণের কল্যাণ ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ বর্তমানে খাদ্যনিরাপক্ষার পাশাপাশি তারা যে প্রাণীটি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করছে তা রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও সচেতন হয়ে উঠছে।

প্রাণির রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকায় প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। দেশের প্রান্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের বহুমুখী ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রাণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক। প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে আরও বেশি সেমিনার, প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের তদারকি আরও বাড়ানোর কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন।