Dhaka ০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান সংশোধনের পর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত, বিল পাস জানুয়ারিতে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জনগণের মতামত নিতে আবারও গণভোটের আয়োজন করবে সরকার। সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে জনগণের মতামত নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে সরকারের এই অবস্থান উঠে আসে। বৈঠকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন এবং সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত এই বৈঠক চলে।

বৈঠক শেষে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান সংশোধনের পর আবারও গণভোট আয়োজনের কথা জানিয়েছে বিশেষ কমিটি। কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংবিধানেও বলা আছে, মৌলিক পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে যেতে হয়। যেহেতু এবার মৌলিক পরিবর্তন হবে, তাই আবারও গণভোট দিতে হবে। এটি হবে সাংবিধানিক গণভোট।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ২০২৭ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল পাস হবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি। এ লক্ষ্যেই সব অংশীজনের মতামত নিয়ে বিলটি চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আস্থায় নিয়ে কমিটির বৈঠকে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, সাংবাদিকদের এ আহ্বানের জবাবে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলকে উপস্থিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। তবে তারা বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মতামত না দিলেও সংসদে সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি।

তিনি জানান, বৈঠকে প্রায় ৫০ জন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এসব মতামত যাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সে জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মুস্তাফিজ শফি আরো জানান, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সবাই বলেছেন, সংবিধান সংশোধন জাতীয় ঐকমত্যের বিষয়। বিরোধী দল এই কমিটিতে নেই এবং তাদের মতামতও পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান সংশোধনের পর গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত, বিল পাস জানুয়ারিতে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জনগণের মতামত নিতে আবারও গণভোটের আয়োজন করবে সরকার। সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে জনগণের মতামত নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে সরকারের এই অবস্থান উঠে আসে। বৈঠকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন এবং সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত এই বৈঠক চলে।

বৈঠক শেষে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান সংশোধনের পর আবারও গণভোট আয়োজনের কথা জানিয়েছে বিশেষ কমিটি। কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংবিধানেও বলা আছে, মৌলিক পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে যেতে হয়। যেহেতু এবার মৌলিক পরিবর্তন হবে, তাই আবারও গণভোট দিতে হবে। এটি হবে সাংবিধানিক গণভোট।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ২০২৭ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল পাস হবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি। এ লক্ষ্যেই সব অংশীজনের মতামত নিয়ে বিলটি চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আস্থায় নিয়ে কমিটির বৈঠকে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, সাংবাদিকদের এ আহ্বানের জবাবে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলকে উপস্থিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। তবে তারা বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মতামত না দিলেও সংসদে সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবে বলে আশা করছে বিশেষ কমিটি।

তিনি জানান, বৈঠকে প্রায় ৫০ জন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এসব মতামত যাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সে জন্যই তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মুস্তাফিজ শফি আরো জানান, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সবাই বলেছেন, সংবিধান সংশোধন জাতীয় ঐকমত্যের বিষয়। বিরোধী দল এই কমিটিতে নেই এবং তাদের মতামতও পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিরোধী দলকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।