চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ডেঙ্গু সংক্রমণে দুই শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫০৮ জনে পৌঁছানোর পর টনক নড়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের। ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে পুরো উপজেলাকে ‘হটস্পট’ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, মশক নিধন জোরদার করতে নতুন ১৬টি ফগার মেশিন মাঠে নামানো হয়েছে এবং শনিবার থেকে সাত দিনব্যাপী বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।
শনিবার সকাল ১১টায় সীতাকুণ্ড পৌরসভা চত্বরে র্যালি ও সুধী সমাবেশের মাধ্যমে এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিব্বীর আহমেদসহ প্রশাসন ও পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সীতাকুণ্ডের ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিপজ্জনক রূপ নেওয়ায় পুরো উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পট ঘোষণা করা হয়েছে। মশক নিধন জোরদার করতে যন্ত্রপাতি ও আধুনিক সরঞ্জামের ঘাটতি মেটাতে একযোগে ১৬টি ফগার মেশিন মাঠে নামানো হয়েছে। আগামী সাত দিন উপজেলার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অলিগলি পর্যন্ত ওষুধ ছিটানোর অভিযান চালানো হবে।
কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর, সদস্য সচিব মো. মোরসালিন, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন ও সদস্য সচিব মো. সালে আহম্মেদ ছলুসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


























