Dhaka ১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে নদীভাঙনে স্থানান্তরিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয় বছরেও কাটেনি সংকট

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মগড়াকুড়া আকন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীভাঙনের শিকার হয়ে স্থানান্তরের দীর্ঘ ছয় বছর পার হলেও মাঠ ভরাট না হওয়ায় এবং শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে প্রায় সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থী।

২০২০ সালে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বিদ্যালয়টি বিলীন হয়ে গেলে দক্ষিণ খাউরিয়ার চরের একটি ফসলি জমিতে স্থানান্তর করা হয়। ওই সময় দুটি টিনশেড ঘর স্থাপন করা হলেও অর্ধযুগ পেরিয়ে গেলেও মাঠ ও আশপাশের নিচু জায়গা ভরাট করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণ নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি থামার পরও দীর্ঘ সময় মাঠ ও প্রবেশপথে কাদা-পানি আটকে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তির পাশাপাশি শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষ সংকটে গাদাগাদি করে পাঠ নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। প্রয়োজনের তুলনায় কক্ষ কম থাকায় স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী কবির হোসেন জানান, ‘বৃষ্টি হলেই স্কুলের মাঠ ও সামনে পানি জমে যায়। কাদা-পানি মাড়িয়ে ক্লাসে যেতে হয়। অনেক সময় জামা-কাপড় ও বই-খাতা ভিজে যায়। মাঠ ভরাট করে দিলে আমাদের খুব সুবিধা হতো।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে মাঠ ভরাটের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে নদীভাঙনে স্থানান্তরিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয় বছরেও কাটেনি সংকট

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মগড়াকুড়া আকন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীভাঙনের শিকার হয়ে স্থানান্তরের দীর্ঘ ছয় বছর পার হলেও মাঠ ভরাট না হওয়ায় এবং শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে প্রায় সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থী।

২০২০ সালে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বিদ্যালয়টি বিলীন হয়ে গেলে দক্ষিণ খাউরিয়ার চরের একটি ফসলি জমিতে স্থানান্তর করা হয়। ওই সময় দুটি টিনশেড ঘর স্থাপন করা হলেও অর্ধযুগ পেরিয়ে গেলেও মাঠ ও আশপাশের নিচু জায়গা ভরাট করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণ নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি থামার পরও দীর্ঘ সময় মাঠ ও প্রবেশপথে কাদা-পানি আটকে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তির পাশাপাশি শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষ সংকটে গাদাগাদি করে পাঠ নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। প্রয়োজনের তুলনায় কক্ষ কম থাকায় স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী কবির হোসেন জানান, ‘বৃষ্টি হলেই স্কুলের মাঠ ও সামনে পানি জমে যায়। কাদা-পানি মাড়িয়ে ক্লাসে যেতে হয়। অনেক সময় জামা-কাপড় ও বই-খাতা ভিজে যায়। মাঠ ভরাট করে দিলে আমাদের খুব সুবিধা হতো।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে মাঠ ভরাটের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’