মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে গ্রাহকদের অন্তত ১৪টি হিসাবের বিপরীতে ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগ কর্মস্থল থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। জালিয়াতির খবর প্রকাশ পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকের ওই শাখায় ক্ষুব্ধ আমানতকারীরা ভিড় করে হট্টগোল শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এক নারী গ্রাহক তাঁর ডিপিএস ও এফডিআরের তথ্যের খোঁজ নিতে এলে এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা জমা দেওয়ার সময় ক্যাশ অফিসার ম্যানুয়ালি স্বাক্ষর ও সিলসংবলিত ক্যাশ মেমো দিলেও সেই অর্থ ব্যাংকের মূল ডিজিটাল সিস্টেমে জমা না করে নিজে আত্মসাৎ করতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকের ফোন নম্বর পরিবর্তন করে ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে হিসাব থেকে বড় অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার ব্যবস্থাপক জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তা গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ বিষয়ে ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রধান কার্যালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সকল গ্রাহকের বৈধ আমানতের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

























