যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও স্বাগত জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বোয়িং কোম্পানির মধ্যে এই সংক্রান্ত চুক্তি সই হতে যাওয়ায় উভয় পক্ষকে অভিনন্দন জানান তিনি।
মার্কিন দূতাবাসের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের সেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজগুলোর মধ্য থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি পারস্পরিক লাভজনক ও অংশীদারিত্বমূলক অর্জন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরকালে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তির আওতায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করেছিল বাংলাদেশ। সেই পরিকল্পনার অতিরিক্ত হিসেবে নতুন করে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার মাধ্যমে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের পরিকল্পিত উড়োজাহাজ সংগ্রহের মোট সংখ্যা ২৫টিতে উন্নীত হতে যাচ্ছে। তবে নতুন এই ১১টি উড়োজাহাজের সুনির্দিষ্ট মডেল, মোট মূল্য, অর্থায়নের শর্তাবলি এবং হস্তান্তরের সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, এর পাশাপাশি বিমান কর্তৃপক্ষ ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার পৃথক একটি প্রস্তাবও বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।






















