Dhaka ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আশুলিয়া অগ্নিকাণ্ড: নিহত চার শ্রমিকের পরিবারকে বিজিএমইএর মাধ্যমে প্রীতি গ্রুপের আর্থিক সহায়তা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মাধ্যমে প্রীতি গ্রুপের পক্ষ থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।

বুধবার উত্তরায় অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বিজিএমইএ সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় প্রতিটি পরিবারকে ৩ লাখ করে নগদ মোট ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত বাকিদের লাশ ডিএনএর মাধ্যমে সনাক্তের পর তাদের পরিবারকেও অনুরূপভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কেউ যদি চাকরি চায়, তার জন্য সে ব্যবস্থাও করা হবে বলে বিজিএমইএ জানিয়েছে।

যে চারজনের পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে তারা হলেন মোহাম্মদ হানিফ (বাবা মো. আজিজুল হক), মো. সামছুল আলম (বাবা মকজলের রহমান), জয়নব বেগম (স্বামী মোহাম্মদ আলী), মো. নজরুল ইসলাম (বাবা মৃত ইউনুস আলী)।

চেক হস্তান্তরকালে বিজিএমইএ সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, যেকোনো শিল্প দুর্ঘটনাই আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনার। প্রীতি গ্রুপের কারখানায় সংঘটিত এই আকস্মিক বিস্ফোরণে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের অপূরণীয় ক্ষতি কোনো আর্থিক মূল্যে শোধন করা সম্ভব নয়। তবে এই কঠিন ও সংকটাপন্ন মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের তাৎক্ষণিক দুর্দশা লাঘব করাকে বিজিএমইএ তার অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার মনে করে।

অনুষ্ঠানে প্রীতি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা এবং নিহতদের পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে সিলিন্ডার বা গ্যাস লরি খালাসের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ত্রুটি খতিয়ে দেখতে বিজিএমইএ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করছে, যাতে এ জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। পাশাপাশি দেশের সব তৈরি পোশাক কারখানায় কেমিক্যাল, গ্যাস সিলিন্ডার এবং দাহ্য পদার্থ খালাস, হ্যান্ডলিং এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে অতি দ্রুত একটি জরুরি সার্কুলার জারি করার কথা জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আশুলিয়া অগ্নিকাণ্ড: নিহত চার শ্রমিকের পরিবারকে বিজিএমইএর মাধ্যমে প্রীতি গ্রুপের আর্থিক সহায়তা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মাধ্যমে প্রীতি গ্রুপের পক্ষ থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।

বুধবার উত্তরায় অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বিজিএমইএ সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় প্রতিটি পরিবারকে ৩ লাখ করে নগদ মোট ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত বাকিদের লাশ ডিএনএর মাধ্যমে সনাক্তের পর তাদের পরিবারকেও অনুরূপভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কেউ যদি চাকরি চায়, তার জন্য সে ব্যবস্থাও করা হবে বলে বিজিএমইএ জানিয়েছে।

যে চারজনের পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে তারা হলেন মোহাম্মদ হানিফ (বাবা মো. আজিজুল হক), মো. সামছুল আলম (বাবা মকজলের রহমান), জয়নব বেগম (স্বামী মোহাম্মদ আলী), মো. নজরুল ইসলাম (বাবা মৃত ইউনুস আলী)।

চেক হস্তান্তরকালে বিজিএমইএ সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, যেকোনো শিল্প দুর্ঘটনাই আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনার। প্রীতি গ্রুপের কারখানায় সংঘটিত এই আকস্মিক বিস্ফোরণে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের অপূরণীয় ক্ষতি কোনো আর্থিক মূল্যে শোধন করা সম্ভব নয়। তবে এই কঠিন ও সংকটাপন্ন মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের তাৎক্ষণিক দুর্দশা লাঘব করাকে বিজিএমইএ তার অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার মনে করে।

অনুষ্ঠানে প্রীতি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা এবং নিহতদের পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে সিলিন্ডার বা গ্যাস লরি খালাসের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ত্রুটি খতিয়ে দেখতে বিজিএমইএ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করছে, যাতে এ জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। পাশাপাশি দেশের সব তৈরি পোশাক কারখানায় কেমিক্যাল, গ্যাস সিলিন্ডার এবং দাহ্য পদার্থ খালাস, হ্যান্ডলিং এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে অতি দ্রুত একটি জরুরি সার্কুলার জারি করার কথা জানানো হয়েছে।