ফেনীতে একজন বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দুই সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকায়, এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মঙ্গলবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক এয়াকুব নবীকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী ও কপিল উদ্দিন মামুন।
এর আগে, গত রোববার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান মাসুদকে একমাত্র আসামি করে আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলা দুটিকে এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার জন্য ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
ফেনী মডেল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চাঁদার দাবিতে সড়কের কাজ বন্ধ করা এবং বাধা দেওয়ার অভিযোগে দুই ঠিকাদারের করা অভিযোগ আদালতের নির্দেশে মামলা হিসেবে থানায় রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, চাঁদাবাজি ও সড়ক সংস্কারকাজ বন্ধের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঠিকাদার ও মামলার বাদী জেলা বিএনপির সদস্য সাইফুর রহমান রতন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি তদন্ত কমিটি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে মাসুদের বিরুদ্ধে সরাসরি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, তদন্ত কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী জানান, কমিটি গঠনসংক্রান্ত এখনো কোনো চিঠি তিনি পাননি। তবে চিঠি হাতে পেলে দলের দেওয়া দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের অভিযোগ, মাসুদ টেন্ডারের নির্ধারিত মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে চাঁদা দাবি করেছেন।






















