নেত্রকোনার মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হকের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হলেও তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে কর্মস্থলে বহাল রয়েছেন। ওই মামলায় তিনি প্রায় তিন মাস কারাগারে ছিলেন। যদিও তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
কলেজ সূত্র ও নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালের নভেম্বরে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তৎকালীন গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে আজিজুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হক ও সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সায়েম জানান, তাদের জানামতে সেই বরখাস্তাদেশ কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি।
তবে অভিযুক্ত প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হক দাবি করেছেন, তিনি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে কখনো বরখাস্তের চিঠি দেয়নি। তার দাবি, কলেজ জাতীয়করণের সময় তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন এবং তার বেতন-ভাতাও কখনো বন্ধ হয়নি।
কলেজটি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমান অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র মিত্র জানিয়েছেন, ঘটনাটি তার দায়িত্ব নেওয়ার অনেক আগের। তবে একজন শিক্ষক এমন গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত থাকলে বা কারাগারে গেলে বিধি অনুযায়ী তিনি স্বপদে বহাল থাকতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।






















