Dhaka ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তাত্ক্ষণিক প্রেক্ষাপটে পরিবহন খাতের ব্যয় সমন্বয় ও বাস্তবসম্মত সমাধানের লক্ষ্যে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিস বাসে ১০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জাতির সামনে তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জোরালোভাবে অভিযোগ করা হয় যে, বিগত স্বৈরাচারী আমল থেকেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আর্থিক সুবিধা একতরফাভাবে বাস ও লঞ্চ মালিকদের পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা চলে আসছে এবং জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে সংশ্লিষ্টরা মালিকপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে থাকেন। গণপরিবহনের মূল অংশীজন তথা সাধারণ যাত্রীসাধারণের কোনো ধরনের মতামত বা প্রতিনিধিত্ব ছাড়াই কেবল সরকারের নীতিনির্ধারক ও মালিক সমিতির যৌথ সিদ্ধান্তে একপেশেভাবে এই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে সব পক্ষের যৌথ সম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে বলে জনসমক্ষে প্রচার করা হয়।

পরিবহন পরিচালনায় মালিকদের প্রকৃত ব্যয় কতখানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিংবা বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে ঠিক কত পয়সা ভাড়া বাড়ানো প্রয়োজন—তার কোনো স্বচ্ছ গাণিতিক হিসাব বা তথ্য কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। এ ধরনের গোপনীয়তা ও একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে প্রতিবারই চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। তাই ভাড়া পুনর্নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের লুকোচুরি বা অস্বচ্ছতা চিরতরে পরিহার করে পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি তীব্র দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তাত্ক্ষণিক প্রেক্ষাপটে পরিবহন খাতের ব্যয় সমন্বয় ও বাস্তবসম্মত সমাধানের লক্ষ্যে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিস বাসে ১০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জাতির সামনে তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জোরালোভাবে অভিযোগ করা হয় যে, বিগত স্বৈরাচারী আমল থেকেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আর্থিক সুবিধা একতরফাভাবে বাস ও লঞ্চ মালিকদের পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা চলে আসছে এবং জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে সংশ্লিষ্টরা মালিকপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে থাকেন। গণপরিবহনের মূল অংশীজন তথা সাধারণ যাত্রীসাধারণের কোনো ধরনের মতামত বা প্রতিনিধিত্ব ছাড়াই কেবল সরকারের নীতিনির্ধারক ও মালিক সমিতির যৌথ সিদ্ধান্তে একপেশেভাবে এই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে সব পক্ষের যৌথ সম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে বলে জনসমক্ষে প্রচার করা হয়।

পরিবহন পরিচালনায় মালিকদের প্রকৃত ব্যয় কতখানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিংবা বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে ঠিক কত পয়সা ভাড়া বাড়ানো প্রয়োজন—তার কোনো স্বচ্ছ গাণিতিক হিসাব বা তথ্য কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। এ ধরনের গোপনীয়তা ও একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে প্রতিবারই চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। তাই ভাড়া পুনর্নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের লুকোচুরি বা অস্বচ্ছতা চিরতরে পরিহার করে পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি তীব্র দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।