Dhaka ০২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতিগ্রস্ত বীমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করা হবে: অর্থমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

ব্যাংক খাতের মতো দেশের বীমা খাতেও বিগত সরকারের আমলে নজিরবিহীন লুটপাট চলেছে, যার খেসারত দিতে গিয়ে মেয়াদ শেষেও বীমার টাকা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। এই খাতে কঠোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে দুর্নীতিগ্রস্ত কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করেই গ্রাহকদের কষ্টার্জিত অর্থ পরিশোধ করা হবে।

সোমবার বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে অর্থমন্ত্রী এই কঠোর বার্তা দেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো অর্থমন্ত্রী আইডিআরএ কার্যালয় পরিদর্শন করলেন। এ সময় খাতের করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল তদারকির সুযোগে কোম্পানিগুলো ইচ্ছেমতো অনিয়ম করেছে এবং বর্তমানে প্রায় ৫৭ শতাংশ গ্রাহকের বীমা দাবি অনাদায়ি রয়ে গেছে। গ্রাহকদের জমানো অর্থ পাচার এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান দুটি করে আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করার মতো গুরুতর জালিয়াতিও করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বর্তমান সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ৮২টি বীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানির অন্তত ১০টির আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। দুর্নীতি রোধে প্রতিটি বীমা কোম্পানিকে সম্পূর্ণ অটোমেশন এবং অনলাইন লেনদেনের আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

এছাড়া ব্যাংকিং খাতের আদме ‘বীমা রেজল্যুশন’ তৈরির পাশাপাশি বীমা আইন সংশোধন এবং আইডিআরএ’র নিজস্ব দক্ষ জনবল নিয়োগের ঘোষণাও দেন অর্থমন্ত্রী। দুর্বল কোম্পানিগুলোর পুনর্গঠন এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতিগ্রস্ত বীমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করা হবে: অর্থমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাংক খাতের মতো দেশের বীমা খাতেও বিগত সরকারের আমলে নজিরবিহীন লুটপাট চলেছে, যার খেসারত দিতে গিয়ে মেয়াদ শেষেও বীমার টাকা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। এই খাতে কঠোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে দুর্নীতিগ্রস্ত কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করেই গ্রাহকদের কষ্টার্জিত অর্থ পরিশোধ করা হবে।

সোমবার বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে অর্থমন্ত্রী এই কঠোর বার্তা দেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো অর্থমন্ত্রী আইডিআরএ কার্যালয় পরিদর্শন করলেন। এ সময় খাতের করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল তদারকির সুযোগে কোম্পানিগুলো ইচ্ছেমতো অনিয়ম করেছে এবং বর্তমানে প্রায় ৫৭ শতাংশ গ্রাহকের বীমা দাবি অনাদায়ি রয়ে গেছে। গ্রাহকদের জমানো অর্থ পাচার এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান দুটি করে আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করার মতো গুরুতর জালিয়াতিও করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বর্তমান সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ৮২টি বীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানির অন্তত ১০টির আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। দুর্নীতি রোধে প্রতিটি বীমা কোম্পানিকে সম্পূর্ণ অটোমেশন এবং অনলাইন লেনদেনের আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করে অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

এছাড়া ব্যাংকিং খাতের আদме ‘বীমা রেজল্যুশন’ তৈরির পাশাপাশি বীমা আইন সংশোধন এবং আইডিআরএ’র নিজস্ব দক্ষ জনবল নিয়োগের ঘোষণাও দেন অর্থমন্ত্রী। দুর্বল কোম্পানিগুলোর পুনর্গঠন এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।