Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে নিজস্ব জমি ভরাটে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে নিজের রেকর্ডীয় জমি মাটি দিয়ে ভরাট করতে গিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন হাজী চাঁন মিয়া নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী চাঁন মিয়া জানান, ইব্রাহিমপুর মৌজার ১৭৪৯ খতিয়ানের ৫৯৩৭ দাগে তাঁর মালিকানাধীন ‘ভিটা’ শ্রেণির বিএস রেকর্ডকৃত জমি রয়েছে। তাঁর সাত ছেলে থাকলেও বর্তমানে বসবাসরত ভিটায় সন্তানদের জন্য আলাদা ঘর তৈরির পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ফলে পারিবারিক প্রয়োজনে সন্তানদের বসবাসের উপযোগী ঘর নির্মাণ করতে বাধ্য হয়ে তিনি নিজস্ব নিচু জমিটি মাটি ফেলে উঁচু করার উদ্যোগ নেন। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই একটি মহল জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কাজটি বন্ধের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাশের ৫৯৫০ দাগের জমিটি নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। সেটি ভরাট করে ফলদ বাগান ও কৃষিকাজের উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। আশপাশের জমির পানি নিষ্কাশনে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য তিনি নিজ খরচে পাইপও বসিয়ে দিয়েছেন। এরপরও একটি চক্র তাঁর আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নাঈম। প্রতিবেদনে বলা হয়, জমিটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় বর্ষায় চাষাবাদের অনুপযোগী থাকে। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা রেখে জমিটি ভরাট করা হলে কৃষিকাজে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না এবং পার্শ্ববর্তী জমিরও কোনো ক্ষতি হবে না। বরং সেখানে ফলদ বাগান গড়ে তুললে তা আয়বর্ধক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে নিজস্ব জমি ভরাটে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে নিজের রেকর্ডীয় জমি মাটি দিয়ে ভরাট করতে গিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন হাজী চাঁন মিয়া নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী চাঁন মিয়া জানান, ইব্রাহিমপুর মৌজার ১৭৪৯ খতিয়ানের ৫৯৩৭ দাগে তাঁর মালিকানাধীন ‘ভিটা’ শ্রেণির বিএস রেকর্ডকৃত জমি রয়েছে। তাঁর সাত ছেলে থাকলেও বর্তমানে বসবাসরত ভিটায় সন্তানদের জন্য আলাদা ঘর তৈরির পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ফলে পারিবারিক প্রয়োজনে সন্তানদের বসবাসের উপযোগী ঘর নির্মাণ করতে বাধ্য হয়ে তিনি নিজস্ব নিচু জমিটি মাটি ফেলে উঁচু করার উদ্যোগ নেন। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই একটি মহল জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কাজটি বন্ধের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাশের ৫৯৫০ দাগের জমিটি নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। সেটি ভরাট করে ফলদ বাগান ও কৃষিকাজের উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। আশপাশের জমির পানি নিষ্কাশনে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য তিনি নিজ খরচে পাইপও বসিয়ে দিয়েছেন। এরপরও একটি চক্র তাঁর আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নাঈম। প্রতিবেদনে বলা হয়, জমিটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় বর্ষায় চাষাবাদের অনুপযোগী থাকে। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা রেখে জমিটি ভরাট করা হলে কৃষিকাজে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না এবং পার্শ্ববর্তী জমিরও কোনো ক্ষতি হবে না। বরং সেখানে ফলদ বাগান গড়ে তুললে তা আয়বর্ধক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।