বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে শিয়ালের মাংস বাতের ব্যথা দূর করে এবং জোঁকের তেল বিভিন্ন শারীরিক যন্ত্রণা নিরাময় করে—এমন অনেক লোকবিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। এসব ভ্রান্ত ধারণার ওপর ভিত্তি করে বন্যপ্রাণী নিধন এবং বিভিন্ন পশুপাখির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বেচাকেনার মতো অবৈধ কার্যক্রমও চলে আসছে, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিয়াল বা তক্ষক নিয়ে সমাজে প্রচলিত ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অনেক সময় কৃষকরা ভুল ধারণাবশত খেঁকশিয়ালকে ক্ষতিকর মনে করে মেরে ফেলেন, যদিও গবেষণায় এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। একইভাবে, ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে তক্ষক পাচারের কারণে দেশীয় বন্যপ্রাণীর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে।
প্রাণিবিদ্যা গবেষকদের মতে, এ ধরনের কুসংস্কার ও অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় দেশের প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।


























