Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের ওপর রাষ্ট্রপতির জোর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জনগণের কল্যাণ যেকোনো মূল্যে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

সোমবার বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সুসম্পর্কের ভিত্তিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে গঠনমূলক কূটনীতি বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষ নেতৃত্ব এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।

ভাষণের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে তাদের অবিস্মরণীয় সাহস ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পেশাদার সামরিক শিক্ষার প্রসারে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বিগত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে আত্মত্যাগকারীদের অবদান স্মরণ করে তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার এবং প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র সুসংহত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, প্রচলিত সামরিক নিরাপত্তার গণ্ডি পেরিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার আক্রমণ, আন্তদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো এখন নতুন নিরাপত্তা সংকট তৈরি করছে। ফলে জাতীয় নিরাপত্তা আজ কেবল সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও গভীরভাবে জড়িত। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগরসহ আঞ্চলিক নানা বিষয়ের ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের ওপর রাষ্ট্রপতির জোর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জনগণের কল্যাণ যেকোনো মূল্যে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

সোমবার বঙ্গভবনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২৬-এর অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সুসম্পর্কের ভিত্তিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে গঠনমূলক কূটনীতি বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষ নেতৃত্ব এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।

ভাষণের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে তাদের অবিস্মরণীয় সাহস ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পেশাদার সামরিক শিক্ষার প্রসারে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বিগত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে আত্মত্যাগকারীদের অবদান স্মরণ করে তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার এবং প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র সুসংহত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, প্রচলিত সামরিক নিরাপত্তার গণ্ডি পেরিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার আক্রমণ, আন্তদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো এখন নতুন নিরাপত্তা সংকট তৈরি করছে। ফলে জাতীয় নিরাপত্তা আজ কেবল সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও গভীরভাবে জড়িত। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগরসহ আঞ্চলিক নানা বিষয়ের ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।