Dhaka ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সহকারীর বিরুদ্ধে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা অবমাননার অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডিআরইউর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একইসঙ্গে তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

রোববার কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি নির্দিষ্ট পত্রিকার প্রতি অবজ্ঞা নয়, বরং মুক্ত সাংবাদিকতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি চরম অবমাননা। তাদের মতে, কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে ভুল থাকলে কিংবা কোনো বিষয়ে আপত্তি থাকলে তার প্রতিবাদ জানানোর এবং আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুনির্দিষ্ট সুযোগ রয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও জোর দিয়ে বলেন, প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলে ক্ষোভ প্রকাশ বা প্রতিবাদ করা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। মতের ভিন্নতার জবাব যুক্তি ও তথ্য দিয়ে দেওয়া উচিত, সংবাদপত্র ছিঁড়ে নয়।

ডিআরইউ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণস্বরূপ। সেই দর্পণে প্রতিফলিত কোনো বিষয় অপছন্দ হলেই তা ভেঙে ফেলার মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও, সমালোচনার নামে সংবাদপত্রের প্রতি এমন অবমাননাকর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে সংকুচিত করার আশঙ্কা তৈরি করে।

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক পদ বা ক্ষমতার অবস্থান কাউকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অধিকার দেয় না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসীসহ বিভিন্ন মতের সাংবাদিক কাজ করেন। তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস বা পেশাগত অবস্থান যা-ই হোক না কেন, সাংবাদিক হিসেবে তাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। কোনো সংবাদে আপত্তি থাকলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রতিবাদ জানানোই গণতান্ত্রিক পথ। সংবাদপত্রের প্রতি অবমাননাকর আচরণ দিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সহকারীর বিরুদ্ধে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা অবমাননার অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডিআরইউর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একইসঙ্গে তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

রোববার কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি নির্দিষ্ট পত্রিকার প্রতি অবজ্ঞা নয়, বরং মুক্ত সাংবাদিকতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি চরম অবমাননা। তাদের মতে, কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে ভুল থাকলে কিংবা কোনো বিষয়ে আপত্তি থাকলে তার প্রতিবাদ জানানোর এবং আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুনির্দিষ্ট সুযোগ রয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও জোর দিয়ে বলেন, প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলে ক্ষোভ প্রকাশ বা প্রতিবাদ করা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। মতের ভিন্নতার জবাব যুক্তি ও তথ্য দিয়ে দেওয়া উচিত, সংবাদপত্র ছিঁড়ে নয়।

ডিআরইউ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণস্বরূপ। সেই দর্পণে প্রতিফলিত কোনো বিষয় অপছন্দ হলেই তা ভেঙে ফেলার মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও, সমালোচনার নামে সংবাদপত্রের প্রতি এমন অবমাননাকর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে সংকুচিত করার আশঙ্কা তৈরি করে।

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক পদ বা ক্ষমতার অবস্থান কাউকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অধিকার দেয় না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসীসহ বিভিন্ন মতের সাংবাদিক কাজ করেন। তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস বা পেশাগত অবস্থান যা-ই হোক না কেন, সাংবাদিক হিসেবে তাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। কোনো সংবাদে আপত্তি থাকলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রতিবাদ জানানোই গণতান্ত্রিক পথ। সংবাদপত্রের প্রতি অবমাননাকর আচরণ দিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।