Dhaka ০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদমাধ্যমের প্রতি অবমাননাকর আচরণে বিজেআইএমের উদ্বেগ: স্বাধীন সাংবাদিকতা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের অবমাননাকর মন্তব্য ও আচরণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)।

সংগঠনটি রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উপহাস, ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ও অবজ্ঞাসূচক আচরণের একাধিক ঘটনা নজরে এসেছে বিজেআইএমের। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে নিয়েও সরকারি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অবমাননাকর মন্তব্য করছেন।

সম্প্রতি এ ধরনের একটি ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এক সহকারীকে ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে একটি সংবাদপত্রের কপি ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায়। ওই সংবাদমাধ্যমে তার সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানাতে তিনি এমনটি করেন।

বিজেআইএম বলেছে, কোনো সংবাদকে ভুল বা অন্যায্য মনে হলে তা নিয়ে আপত্তি জানানোর অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রয়েছে। তবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের এমন আচরণের তাৎপর্য ভিন্ন। এ ধরনের অঙ্গভঙ্গি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার প্রতি অবজ্ঞার বার্তা দিতে পারে।

সংগঠনটি আরও বলেছে, এ ধরনের মন্তব্য ও আচরণ সরাসরি হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ না-ও হতে পারে। তবে এর সম্ভাব্য প্রভাব উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ক্ষমতাসীন পদে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সাংবাদিকদের বারবার হেয় করা কিংবা তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা, বিশেষ করে যৌক্তিক প্রশ্নের জবাবে এমন আচরণ, সাংবাদিকদের সমালোচনামূলক প্রশ্ন করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে স্ব-নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ে নিজে থেকেই সংবাদ প্রকাশে সংযত থাকার প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

বিজেআইএম স্বীকার করেছে, সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। ভুল বা অসত্য সংবাদ প্রকাশিত হলে সরকারি কর্মকর্তাদের তা চ্যালেঞ্জ করার, সংশোধনী চাওয়ার এবং সংবাদমাধ্যমকে পেশাগত মানদণ্ডের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করার অধিকার রয়েছে। তবে কোনো প্রতিবেদন নিয়ে মতবিরোধ কিংবা সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে অযাচিত আচরণ কাম্য নয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সংবাদমাধ্যমের প্রতি অবমাননাকর আচরণে বিজেআইএমের উদ্বেগ: স্বাধীন সাংবাদিকতা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের অবমাননাকর মন্তব্য ও আচরণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)।

সংগঠনটি রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উপহাস, ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ও অবজ্ঞাসূচক আচরণের একাধিক ঘটনা নজরে এসেছে বিজেআইএমের। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে নিয়েও সরকারি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অবমাননাকর মন্তব্য করছেন।

সম্প্রতি এ ধরনের একটি ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এক সহকারীকে ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে একটি সংবাদপত্রের কপি ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায়। ওই সংবাদমাধ্যমে তার সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানাতে তিনি এমনটি করেন।

বিজেআইএম বলেছে, কোনো সংবাদকে ভুল বা অন্যায্য মনে হলে তা নিয়ে আপত্তি জানানোর অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রয়েছে। তবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের এমন আচরণের তাৎপর্য ভিন্ন। এ ধরনের অঙ্গভঙ্গি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার প্রতি অবজ্ঞার বার্তা দিতে পারে।

সংগঠনটি আরও বলেছে, এ ধরনের মন্তব্য ও আচরণ সরাসরি হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ না-ও হতে পারে। তবে এর সম্ভাব্য প্রভাব উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ক্ষমতাসীন পদে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সাংবাদিকদের বারবার হেয় করা কিংবা তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা, বিশেষ করে যৌক্তিক প্রশ্নের জবাবে এমন আচরণ, সাংবাদিকদের সমালোচনামূলক প্রশ্ন করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে স্ব-নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ে নিজে থেকেই সংবাদ প্রকাশে সংযত থাকার প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

বিজেআইএম স্বীকার করেছে, সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। ভুল বা অসত্য সংবাদ প্রকাশিত হলে সরকারি কর্মকর্তাদের তা চ্যালেঞ্জ করার, সংশোধনী চাওয়ার এবং সংবাদমাধ্যমকে পেশাগত মানদণ্ডের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করার অধিকার রয়েছে। তবে কোনো প্রতিবেদন নিয়ে মতবিরোধ কিংবা সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে অযাচিত আচরণ কাম্য নয়।