Dhaka ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে ডেনমার্কের আগ্রহ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক মোলার। গতকাল রবিবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে টেকসই অবকাঠামো, জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করে।

বৈঠকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ গতিশীল করতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ডেনমার্কের অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বৈঠকে স্বর্ণদ্বীপের সম্ভাবনার প্রসঙ্গটিও উঠে আসে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ও সম্ভাবনাময় জমি এবং শিল্পসম্পদে বিনিয়োগে ডেনিশ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।

বিশেষ করে যেসব স্থানে আগে চিনিকলসহ শিল্পকারখানা ছিল বা এখনো রয়েছে, সেখানে নতুন শিল্প স্থাপন বা বিদ্যমান সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ আছে বলে উল্লেখ করা হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, আগ্রহী ডেনিশ বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট প্রস্তাব জানালে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে তারা প্রস্তুত।

বৈঠকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে দুই দেশের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব), ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট-১ ড. জুলিয়া মইন উত্তরাঞ্চলে এ শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার কথা বলেন। তিনি মৌসুমি কৃষিপণ্যভিত্তিক সম্ভাব্যতা যাচাই, কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং ফল থেকে পানীয় ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। এসব পণ্য স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে ডেনমার্কের আগ্রহ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক মোলার। গতকাল রবিবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে টেকসই অবকাঠামো, জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করে।

বৈঠকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ গতিশীল করতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ডেনমার্কের অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বৈঠকে স্বর্ণদ্বীপের সম্ভাবনার প্রসঙ্গটিও উঠে আসে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ও সম্ভাবনাময় জমি এবং শিল্পসম্পদে বিনিয়োগে ডেনিশ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।

বিশেষ করে যেসব স্থানে আগে চিনিকলসহ শিল্পকারখানা ছিল বা এখনো রয়েছে, সেখানে নতুন শিল্প স্থাপন বা বিদ্যমান সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ আছে বলে উল্লেখ করা হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, আগ্রহী ডেনিশ বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট প্রস্তাব জানালে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে তারা প্রস্তুত।

বৈঠকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে দুই দেশের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব), ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট-১ ড. জুলিয়া মইন উত্তরাঞ্চলে এ শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার কথা বলেন। তিনি মৌসুমি কৃষিপণ্যভিত্তিক সম্ভাব্যতা যাচাই, কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং ফল থেকে পানীয় ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। এসব পণ্য স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।