Dhaka ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কর্মস্থলে টানা অনুপস্থিতির কারণে সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি না নিয়ে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে টানা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ‘পলায়ন’ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাঁর এই বরখাস্ত কার্যকর ধরা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (বিপি-৭৪০১১১৯৭৫৩) ডিএমপিতে কর্মরত থাকাকালে হঠাৎ কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত হতে শুরু করেন। পরবর্তীকালে তাঁর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি কাজে যোগ দেননি। ফলে পুলিশ অধিদপ্তরের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তাঁর নামে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অধীনে শোকজ নোটিশ জারি করা হলেও তিনি কোনো লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান কিংবা সময় বৃদ্ধির জন্য কোনো ধরনের আবেদন জানাননি।

পরবর্তীতে অভিযোগটির গভীরতা পর্যালোচনা করে গত ২২ জুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়, যিনি ৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৩(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অপরাধ নির্দ্বিধায় ও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য জানান। এরপর আগস্টে পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিশের কোনো উত্তর না মেলায় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (PSC) পরামর্শক্রমেই চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এই আদেশটি গত ২৫ অক্টোবর মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনুমোদন প্রদান করেন, যা অবিলম্বেই কার্যকর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কর্মস্থলে টানা অনুপস্থিতির কারণে সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি না নিয়ে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে টানা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ‘পলায়ন’ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাঁর এই বরখাস্ত কার্যকর ধরা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (বিপি-৭৪০১১১৯৭৫৩) ডিএমপিতে কর্মরত থাকাকালে হঠাৎ কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত হতে শুরু করেন। পরবর্তীকালে তাঁর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি কাজে যোগ দেননি। ফলে পুলিশ অধিদপ্তরের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তাঁর নামে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অধীনে শোকজ নোটিশ জারি করা হলেও তিনি কোনো লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান কিংবা সময় বৃদ্ধির জন্য কোনো ধরনের আবেদন জানাননি।

পরবর্তীতে অভিযোগটির গভীরতা পর্যালোচনা করে গত ২২ জুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়, যিনি ৬ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৩(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অপরাধ নির্দ্বিধায় ও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য জানান। এরপর আগস্টে পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিশের কোনো উত্তর না মেলায় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (PSC) পরামর্শক্রমেই চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এই আদেশটি গত ২৫ অক্টোবর মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনুমোদন প্রদান করেন, যা অবিলম্বেই কার্যকর করা হয়েছে।