Dhaka ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎখাতে অনিয়ম ও লুটপাটের জন্যই আওয়ামী লীগ দায়মুক্তির আইন করেছিল: রিজভী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

অতীতে বিদ্যুৎখাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের অবারিত সুযোগ তৈরি করার উদ্দেশ্যেই আওয়ামী লীগ সরকার তড়িঘড়ি করে বিতর্কিত দায়মুক্তির আইন পাস করেছিল বলে তীব্র সমালোচনা ও মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও তা টিকিয়ে রাখতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি একক খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার কঠোর জবাবদিহি সুনিশ্চিত করা আবশ্যক। জনবান্ধব সরকারের প্রতিটি কর্মপদ্ধতির জন্য জনগণের কাছে প্রত্যক্ষ জবাবদিহি থাকতে হবে; কোনো নির্দিষ্ট খাতই প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির ঊর্ধ্বে বা বাইরে অবস্থান করতে পারে না।

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ক্যাব যুব সংসদ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ‘রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও শৈলকুপা পৌরসভা এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইফলাইন গ্রাহক সমীক্ষা: ফলাফল ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের গণসংলাপে প্রধান অতিথির ভাষণদানকালে তিনি এসব তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের শাসকশ্রেণির পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে শতভাগ বিদ্যুতায়নের সুউচ্চ দাবি করা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দেশের প্রত্যন্ত অাঁচল ও দুর্গম চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ আজও মৌলিক বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত রয়েছেন। তা ছাড়া বহু দরিদ্র পরিবার সামর্থ্যের অভাবে একাধিক পরিবার মিলে বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে বাধ্য হন। তাই কেবলমাত্র বিদ্যুৎ ব্যবহারের খাতা কলমের পরিমাণ দেখে কোনো হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিরূপণ করা অত্যন্ত দুরূহ।

তিনি আরও বলেন, বাসা-বাড়িতে কেবল বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানকে সূচক ধরে দারিদ্র্য নিরূপণ করার ক্ষেত্রে দেশের একদম বাস্তব ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিচারে নিতে হবে। এ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করার জন্য তিনি আয়োজক সংস্থাকে সাধুবাদ জানান এবং উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের গবেষণার মাধ্যমে নতুন বৈজ্ঞানিক ধারণা ও যুক্তিযুক্ত প্রশ্ন উঠে আসা জরুরি। কোনো সরকারি বা বেসরকারি পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত বা ধ্রুব সত্য হিসেবে ধরে না নিয়ে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

দেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনার কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে রিজভী বলেন, আমাদের নবায়নযোগ্য পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের এক বিরাট ক্ষেত্র পড়ে রয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও দারুণ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আমরা যদি নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সফলভাবে সরবরাহ করতে পারি, তবে একদিকে যেমন সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে সমগ্র বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট বিরাজ করছে এবং স্বাভাবিকভাবেই এর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশেও এসে পড়ছে। তবে বিকল্প এবং নবায়নযোগ্য নানা উৎস থেকে বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ আমাদের হাতে রয়েছে। তাই এ নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশ হওয়ার কিছু নেই; বাংলাদেশ অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কেটে যাবে বলে তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন।

বিএনপির এই প্রবীণ নেতা পুনর্নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপে জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ ও শক্তি খাতে অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভয়াবহ লুটপাটের অনাকাঙ্ক্ষিত পুনরাবৃত্তি চিরতরে ঠেকাতে হলে সার্বিক প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। যেকোনো নতুন বা পুরোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে সাধারণ জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সার্বক্ষণিক জবাবদিহির কঠোর আওতায় আনতে হবে।

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত গুরুত্বপূর্ণ গণসংলাপে ক্যাবের সম্মানিত জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. শামসুল আলমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পরিবেশবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎখাতে অনিয়ম ও লুটপাটের জন্যই আওয়ামী লীগ দায়মুক্তির আইন করেছিল: রিজভী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অতীতে বিদ্যুৎখাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের অবারিত সুযোগ তৈরি করার উদ্দেশ্যেই আওয়ামী লীগ সরকার তড়িঘড়ি করে বিতর্কিত দায়মুক্তির আইন পাস করেছিল বলে তীব্র সমালোচনা ও মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও তা টিকিয়ে রাখতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি একক খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার কঠোর জবাবদিহি সুনিশ্চিত করা আবশ্যক। জনবান্ধব সরকারের প্রতিটি কর্মপদ্ধতির জন্য জনগণের কাছে প্রত্যক্ষ জবাবদিহি থাকতে হবে; কোনো নির্দিষ্ট খাতই প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির ঊর্ধ্বে বা বাইরে অবস্থান করতে পারে না।

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ক্যাব যুব সংসদ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ‘রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও শৈলকুপা পৌরসভা এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইফলাইন গ্রাহক সমীক্ষা: ফলাফল ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের গণসংলাপে প্রধান অতিথির ভাষণদানকালে তিনি এসব তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের শাসকশ্রেণির পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে শতভাগ বিদ্যুতায়নের সুউচ্চ দাবি করা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দেশের প্রত্যন্ত অাঁচল ও দুর্গম চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ আজও মৌলিক বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত রয়েছেন। তা ছাড়া বহু দরিদ্র পরিবার সামর্থ্যের অভাবে একাধিক পরিবার মিলে বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে বাধ্য হন। তাই কেবলমাত্র বিদ্যুৎ ব্যবহারের খাতা কলমের পরিমাণ দেখে কোনো হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিরূপণ করা অত্যন্ত দুরূহ।

তিনি আরও বলেন, বাসা-বাড়িতে কেবল বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানকে সূচক ধরে দারিদ্র্য নিরূপণ করার ক্ষেত্রে দেশের একদম বাস্তব ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিচারে নিতে হবে। এ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করার জন্য তিনি আয়োজক সংস্থাকে সাধুবাদ জানান এবং উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের গবেষণার মাধ্যমে নতুন বৈজ্ঞানিক ধারণা ও যুক্তিযুক্ত প্রশ্ন উঠে আসা জরুরি। কোনো সরকারি বা বেসরকারি পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত বা ধ্রুব সত্য হিসেবে ধরে না নিয়ে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

দেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনার কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে রিজভী বলেন, আমাদের নবায়নযোগ্য পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের এক বিরাট ক্ষেত্র পড়ে রয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও দারুণ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আমরা যদি নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সফলভাবে সরবরাহ করতে পারি, তবে একদিকে যেমন সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে সমগ্র বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট বিরাজ করছে এবং স্বাভাবিকভাবেই এর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশেও এসে পড়ছে। তবে বিকল্প এবং নবায়নযোগ্য নানা উৎস থেকে বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ আমাদের হাতে রয়েছে। তাই এ নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশ হওয়ার কিছু নেই; বাংলাদেশ অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কেটে যাবে বলে তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন।

বিএনপির এই প্রবীণ নেতা পুনর্নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপে জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ ও শক্তি খাতে অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভয়াবহ লুটপাটের অনাকাঙ্ক্ষিত পুনরাবৃত্তি চিরতরে ঠেকাতে হলে সার্বিক প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। যেকোনো নতুন বা পুরোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে সাধারণ জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সার্বক্ষণিক জবাবদিহির কঠোর আওতায় আনতে হবে।

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত গুরুত্বপূর্ণ গণসংলাপে ক্যাবের সম্মানিত জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. শামসুল আলমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পরিবেশবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।