Dhaka ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, ফ্যাসিস্টদের ক্লাব’: জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি ফ্যাসিস্টদের ক্লাব। তিনি অভিযোগ করেন, তারা যখনই বিভিন্ন কায়দায় সন্ত্রাস করে ক্ষমতায় এসেছে, তখনই বেপরোয়া হত্যা ও সন্ত্রাস চালিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছে।

জামায়াত আমীর বলেন, বিগত সরকার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণ করে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এ জাতির ওপর সমানতালে সন্ত্রাস, লুটপাট, তাণ্ডব, চাঁদাবাজি ও মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করার ঘটনা ঘটিয়েছে। স্বাধীন দেশে ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে খুন করা হয়েছে এবং ৩৫ থেকে ৩৭ হাজার মানুষকে হত্যা করা হলেও তাদের কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, রক্ষী বাহিনী দিয়ে তাদের নির্মমভাবে খুন করা হয়েছিল এবং নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে বাকশাল ও রক্ষী বাহিনী গঠন করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আইডিইবি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমীর।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, শেখ হাসিনা জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসেন, কিন্তু তার রক্তের নেশা কাটেনি। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘আমার দলের একটি লাশ পড়লে ১০টি লাশ ফেলতে হবে।’ শাসক হয়ে জনগণকে খুন করার সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার ধৃষ্টতা ফ্যাসিবাদী ঐতিহ্যের কারণেই তিনি দেখিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন আমীর।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে জনগণের বিপুল সমর্থনে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসে। তবে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ রাজপথে লগি-বৈঠা নিয়ে তাণ্ডব চালায়। মানুষ পিটিয়ে হত্যা করার জন্য লগি-বৈঠা আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং জামায়াতের সহকর্মীদের হত্যা করে লাশের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়, এমনকি লাশ চুরি করারও চেষ্টা করা হয়েছিল। সেদিন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যাসিবাদের মুখে পড়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড ঘটলেও তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সব আলামত ও নথিপত্র গায়েব করে ফেলে। তবে অন্যায়ভাবে জামায়াত নেতাদের হত্যার ফল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে ভোগ করতেই হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, ফ্যাসিস্টদের ক্লাব’: জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি ফ্যাসিস্টদের ক্লাব। তিনি অভিযোগ করেন, তারা যখনই বিভিন্ন কায়দায় সন্ত্রাস করে ক্ষমতায় এসেছে, তখনই বেপরোয়া হত্যা ও সন্ত্রাস চালিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছে।

জামায়াত আমীর বলেন, বিগত সরকার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণ করে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এ জাতির ওপর সমানতালে সন্ত্রাস, লুটপাট, তাণ্ডব, চাঁদাবাজি ও মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করার ঘটনা ঘটিয়েছে। স্বাধীন দেশে ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে খুন করা হয়েছে এবং ৩৫ থেকে ৩৭ হাজার মানুষকে হত্যা করা হলেও তাদের কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, রক্ষী বাহিনী দিয়ে তাদের নির্মমভাবে খুন করা হয়েছিল এবং নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে বাকশাল ও রক্ষী বাহিনী গঠন করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আইডিইবি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমীর।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, শেখ হাসিনা জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসেন, কিন্তু তার রক্তের নেশা কাটেনি। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘আমার দলের একটি লাশ পড়লে ১০টি লাশ ফেলতে হবে।’ শাসক হয়ে জনগণকে খুন করার সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার ধৃষ্টতা ফ্যাসিবাদী ঐতিহ্যের কারণেই তিনি দেখিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন আমীর।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে জনগণের বিপুল সমর্থনে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসে। তবে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ রাজপথে লগি-বৈঠা নিয়ে তাণ্ডব চালায়। মানুষ পিটিয়ে হত্যা করার জন্য লগি-বৈঠা আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং জামায়াতের সহকর্মীদের হত্যা করে লাশের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়, এমনকি লাশ চুরি করারও চেষ্টা করা হয়েছিল। সেদিন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যাসিবাদের মুখে পড়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড ঘটলেও তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সব আলামত ও নথিপত্র গায়েব করে ফেলে। তবে অন্যায়ভাবে জামায়াত নেতাদের হত্যার ফল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে ভোগ করতেই হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।