Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

লোকগানের সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

বাংলা লোকসংগীতকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করানোর পথিকৃৎ, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ও ‘লোকগানের সম্রাট’ আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি এই শিল্পীর কালজয়ী গানগুলো পরিবেশিত হয়। এতে বহু সংগীতপ্রেমী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ ইয়াসমিন বেগম। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও সংগীতশিল্পী অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হারুন-অর-রশীদ।

আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্ব। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগীতশিল্পী রেজাউল করিম লিমন পরিবেশন করেন ‘প্রাণ সখীরে, ঐ শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’ এবং ‘পরের অধীনে কইরাছে আমায়’। এরপর নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রাহাত আরা গীতি।

পর্যায়ক্রমে শিল্পী নোশীন লায়লা গেয়ে শোনান ‘সে যেন কি করলোরে আমায়’ এবং ‘আমায় এত রাত কেন ডাক দিলি প্রাণ কোকিলারে’। শিল্পী সালাউদ্দিন আহমদ পরিবেশন করেন ‘ভুলে যেও ভুলে যেও’ ও ‘কুঁচবরণ কন্যারে তোর মেঘবরণ কেশ’। আব্বাসউদ্দীন আহমদের অন্যতম জনপ্রিয় কালজয়ী গান ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ পরিবেশন করেন অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ এবং ‘বাওকুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া ঘুরিয়া মরে’।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লোকগানের সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলা লোকসংগীতকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করানোর পথিকৃৎ, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ও ‘লোকগানের সম্রাট’ আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি এই শিল্পীর কালজয়ী গানগুলো পরিবেশিত হয়। এতে বহু সংগীতপ্রেমী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ ইয়াসমিন বেগম। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও সংগীতশিল্পী অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হারুন-অর-রশীদ।

আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্ব। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগীতশিল্পী রেজাউল করিম লিমন পরিবেশন করেন ‘প্রাণ সখীরে, ঐ শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’ এবং ‘পরের অধীনে কইরাছে আমায়’। এরপর নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রাহাত আরা গীতি।

পর্যায়ক্রমে শিল্পী নোশীন লায়লা গেয়ে শোনান ‘সে যেন কি করলোরে আমায়’ এবং ‘আমায় এত রাত কেন ডাক দিলি প্রাণ কোকিলারে’। শিল্পী সালাউদ্দিন আহমদ পরিবেশন করেন ‘ভুলে যেও ভুলে যেও’ ও ‘কুঁচবরণ কন্যারে তোর মেঘবরণ কেশ’। আব্বাসউদ্দীন আহমদের অন্যতম জনপ্রিয় কালজয়ী গান ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ পরিবেশন করেন অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ এবং ‘বাওকুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া ঘুরিয়া মরে’।