Dhaka ০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

তৈরি পোশাকের নতুন বাজারে শীর্ষ পাঁচ দেশের প্রভাব

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন বা অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি দেশেই বর্তমানে মোট রপ্তানির প্রায় ৫৭ শতাংশ পুঞ্জীভূত বা কেন্দ্রীভূত অবস্থায় রয়েছে। বাজার সম্প্রসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা এই শীর্ষ পাঁচ দেশ হলো—জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) উল্লিখিত পাঁচটি অপ্রচলিত দেশে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ২৫ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এর আগের অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে এই দেশগুলোতে রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ৯৩৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে পরিসংখ্যানের হিসাব অনুযায়ী এই নির্দিষ্ট বাজারগুলোতে বছরওয়ারি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বমোট পরিমাণ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর মধ্যে কেবল এই শীর্ষ পাঁচ দেশের একক অবদানই হলো ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের সর্বমোট তৈরি পোশাক রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি আয় এসেছে মূলত এই পাঁচটি সুনির্দিষ্ট দেশ থেকে।

অপ্রচলিত নতুন বাজারগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় এবং একক গন্তব্যস্থল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জাপান। চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে জাপানের বাজারে মোট ৩৪৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি। অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এককভাবে এসেছে জাপান থেকে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, যেখানে পর্যালোচনাধীন সময়ে ২০৯ দশমিক ০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে এবং এক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১ দশমিক ০২ শতাংশ। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রতিবেশী দেশ ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২০৪ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। তবে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ভারতে রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শীর্ষ এই পাঁচ বড় অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে একমাত্র ভারতেই আলোচ্য সময়ে পোশাক রপ্তানি হ্রাসের ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে সকল দেশকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সংযোগস্থল তুরস্ক। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তুরস্কে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৬৫ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার থেকে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৬ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রবৃদ্ধির হিসাবে ১২৩ দশমিক ১৪ শতাংশের এক বিশাল লাফ। অন্যদিকে পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২০ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ইপিবির প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে যে, নতুন এই শীর্ষ পাঁচ বাজারে সার্বিক রপ্তানি বৃদ্ধির পেছনে তুরস্কের অসামান্য অবদানই সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে। কেবল তুরস্কেই রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৮০ দশমিক ৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা শীর্ষ পাঁচ দেশের সম্মিলিত মোট রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৯০ শতাংশের সমান। পরিসংখ্যান থেকে তুরস্ককে বাদ দিলে বাকি চার দেশে গড়ে রপ্তানি বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় মাত্র ১ দশমিক ০৪ শতাংশ।

কেবলমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের একক পরিসংখ্যান হিসাব করলে শীর্ষ পাঁচ বাজারে পোশাক রপ্তানির গতি ও প্রবৃদ্ধি ছিল আরও অনেক বেশি দৃশ্যমান। ওই একক মাসে উল্লিখিত দেশগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই মাসের ২৯৫ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৪৫ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। এক্ষেত্রে বছরওয়ারি সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বিগত সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে তুরস্কে রপ্তানি অবিশ্বাস্যভাবে ২২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলারে। একই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি ৩৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ডলার এবং জাপানে পোশাক রপ্তানি ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলারে। তবে আশঙ্কাজনকভাবে সেপ্টেম্বর মাসে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বাজারে রপ্তানি সামান্য হ্রাস পেয়েছে; যেখানে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ভারতে পোশাক রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।

জনপ্রিয়

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা, ডেসকোর জরুরি নির্দেশনা

তৈরি পোশাকের নতুন বাজারে শীর্ষ পাঁচ দেশের প্রভাব

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন বা অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি দেশেই বর্তমানে মোট রপ্তানির প্রায় ৫৭ শতাংশ পুঞ্জীভূত বা কেন্দ্রীভূত অবস্থায় রয়েছে। বাজার সম্প্রসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা এই শীর্ষ পাঁচ দেশ হলো—জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) উল্লিখিত পাঁচটি অপ্রচলিত দেশে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ২৫ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এর আগের অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে এই দেশগুলোতে রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ৯৩৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে পরিসংখ্যানের হিসাব অনুযায়ী এই নির্দিষ্ট বাজারগুলোতে বছরওয়ারি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বমোট পরিমাণ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর মধ্যে কেবল এই শীর্ষ পাঁচ দেশের একক অবদানই হলো ৫৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের সর্বমোট তৈরি পোশাক রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি আয় এসেছে মূলত এই পাঁচটি সুনির্দিষ্ট দেশ থেকে।

অপ্রচলিত নতুন বাজারগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় এবং একক গন্তব্যস্থল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জাপান। চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে জাপানের বাজারে মোট ৩৪৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি। অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এককভাবে এসেছে জাপান থেকে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, যেখানে পর্যালোচনাধীন সময়ে ২০৯ দশমিক ০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে এবং এক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১ দশমিক ০২ শতাংশ। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রতিবেশী দেশ ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২০৪ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। তবে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ভারতে রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শীর্ষ এই পাঁচ বড় অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে একমাত্র ভারতেই আলোচ্য সময়ে পোশাক রপ্তানি হ্রাসের ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে সকল দেশকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সংযোগস্থল তুরস্ক। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তুরস্কে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৬৫ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার থেকে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৬ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রবৃদ্ধির হিসাবে ১২৩ দশমিক ১৪ শতাংশের এক বিশাল লাফ। অন্যদিকে পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২০ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ইপিবির প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে যে, নতুন এই শীর্ষ পাঁচ বাজারে সার্বিক রপ্তানি বৃদ্ধির পেছনে তুরস্কের অসামান্য অবদানই সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে। কেবল তুরস্কেই রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৮০ দশমিক ৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা শীর্ষ পাঁচ দেশের সম্মিলিত মোট রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৯০ শতাংশের সমান। পরিসংখ্যান থেকে তুরস্ককে বাদ দিলে বাকি চার দেশে গড়ে রপ্তানি বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় মাত্র ১ দশমিক ০৪ শতাংশ।

কেবলমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের একক পরিসংখ্যান হিসাব করলে শীর্ষ পাঁচ বাজারে পোশাক রপ্তানির গতি ও প্রবৃদ্ধি ছিল আরও অনেক বেশি দৃশ্যমান। ওই একক মাসে উল্লিখিত দেশগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই মাসের ২৯৫ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৪৫ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। এক্ষেত্রে বছরওয়ারি সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বিগত সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে তুরস্কে রপ্তানি অবিশ্বাস্যভাবে ২২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলারে। একই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি ৩৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ডলার এবং জাপানে পোশাক রপ্তানি ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলারে। তবে আশঙ্কাজনকভাবে সেপ্টেম্বর মাসে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বাজারে রপ্তানি সামান্য হ্রাস পেয়েছে; যেখানে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ভারতে পোশাক রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।