Dhaka ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল ডিভাইসের জন্য স্বতন্ত্র সেল চায় ড্রেটাব

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

দেশের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহৃত ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্টের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এসব পণ্য সরাসরি ওষুধ না হওয়ায় ওষুধের মতো একই অনুমোদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল ডিভাইসের জন্য পৃথক ও বাস্তবসম্মত কাঠামো প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

তাদের অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবসম্মত অনুমোদন ব্যবস্থা চালু না করে রেজিস্ট্রেশন ও অনাপত্তিপত্রের (এনওসি) বাধ্যবাধকতা আরোপ করায় বিভিন্ন বন্দরে জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী আটকে যাচ্ছে। এতে আমদানিকারকের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্টস অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্রেটাব) নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর শাহবাগে ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড্রেটাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জামালউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান (আবু)।

হাবিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আমদানি ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অযথা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে এমন ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।

ড্রেটাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ড্রাগ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক আমদানি নীতি-সংক্রান্ত গেজেটে রেজিস্ট্রেশন বা এনওসি ছাড়া চিকিৎসাসামগ্রী আমদানি ও বাজারজাতকরণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নীতিমালা মানতে প্রস্তুত। তবে আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট বিধিমালা এখনো করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, স্বতন্ত্র বিধিমালা না থাকায় কোনো কোনো পণ্যের রেজিস্ট্রেশন বা রেসিপি অনুমোদন পেতে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগছে। একটি হিমোগ্লোবিন অ্যানালাইজারের অনুমোদনের আবেদন এক বছরের বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ কারণে বিমানবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে আমদানি করা জরুরি রি-অ্যাজেন্ট ও চিকিৎসাসামগ্রী আটকে থাকছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল ডিভাইসের জন্য স্বতন্ত্র সেল চায় ড্রেটাব

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দেশের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহৃত ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্টের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এসব পণ্য সরাসরি ওষুধ না হওয়ায় ওষুধের মতো একই অনুমোদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল ডিভাইসের জন্য পৃথক ও বাস্তবসম্মত কাঠামো প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

তাদের অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবসম্মত অনুমোদন ব্যবস্থা চালু না করে রেজিস্ট্রেশন ও অনাপত্তিপত্রের (এনওসি) বাধ্যবাধকতা আরোপ করায় বিভিন্ন বন্দরে জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী আটকে যাচ্ছে। এতে আমদানিকারকের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্টস অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্রেটাব) নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর শাহবাগে ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড্রেটাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জামালউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান (আবু)।

হাবিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আমদানি ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অযথা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে এমন ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।

ড্রেটাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ড্রাগ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক আমদানি নীতি-সংক্রান্ত গেজেটে রেজিস্ট্রেশন বা এনওসি ছাড়া চিকিৎসাসামগ্রী আমদানি ও বাজারজাতকরণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নীতিমালা মানতে প্রস্তুত। তবে আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট বিধিমালা এখনো করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, স্বতন্ত্র বিধিমালা না থাকায় কোনো কোনো পণ্যের রেজিস্ট্রেশন বা রেসিপি অনুমোদন পেতে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগছে। একটি হিমোগ্লোবিন অ্যানালাইজারের অনুমোদনের আবেদন এক বছরের বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ কারণে বিমানবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে আমদানি করা জরুরি রি-অ্যাজেন্ট ও চিকিৎসাসামগ্রী আটকে থাকছে।