ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববারই এ ধরনের হামলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ অবসানে একটি কার্যকর চুক্তির সম্ভাবনাও খোলা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রায় আট মাস ধরে চলা এ যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্তমানে এক অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে।
ফ্লোরিডায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। ইরানে পুনরায় হামলা চালানো হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর বিবেচনায় রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, রোববারই হয়তো অভিযান চালানো হতে পারে, আবার সুন্দর ও বড় কোনো চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরান সমঝোতায় আগ্রহী হলেও তারা চুক্তির শর্ত মেনে চলবে কি না, সেটিই মূল সংশয়।
ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার থেকে বিরত রাখতেই দেশটিতে আক্রমণ চালানো হয়েছিল বলে জানান ট্রাম্প। এর আগে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আরেকটি ছোট আকারের ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাকও চলতি সপ্তাহান্তে হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেননি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এ সংঘাতের সূচনা হয়, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রাণ হারান। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করায় বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায়। পরবর্তী সময়ে ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি ১৪ দফার সমঝোতা হলেও জুলাইয়ে তা ভেস্তে যায়। এ ছাড়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তেহরানের সরকারকে উৎখাতের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


























