Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইউরোপের ডেনিম বাজারে শীর্ষে বাংলাদেশ আগস্টে রপ্তানি বৃদ্ধি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেনিম পোশাকের বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের একক প্রাধান্য ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) সার্বিক ডেনিম রপ্তানির আর্থিক মূল্যে কিছুটা পতন দেখা গেলেও একক মাস হিসেবে আগস্টে আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আগস্টে ইইউর দেশগুলোতে বাংলাদেশ থেকে ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো ইউরোপীয় বাজারের গড় প্রবৃদ্ধির (১১.২৩ শতাংশ) চেয়েও বেশি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে ইইউ মোট ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে, যার মধ্যে একা বাংলাদেশ থেকেই সরবরাহ করা হয়েছে ৮৬ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো সমপরিমাণ ডেনিম। এর মাধ্যমে ইউরোপের মোট ডেনিম আমদানির ২৯.৪০ শতাংশ বাজার এককভাবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই তালিকায় ৫২ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ইউরো নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তান এবং ৪৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে তুরস্ক। প্রথম আট মাসের সার্বিক চিত্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৫.৮৫ শতাংশ কমলেও আগস্ট মাসের ইতিবাচক প্রবাহ জুলাই মাসের ঘাটতি অনেকটাই পুষিয়ে দিয়েছে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইউরোপের বাজারে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে তুরস্ক, মরক্কো ও পাকিস্তানের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে মিশর (৩১.৪৬%), ভিয়েতনাম (৪৫.৩৮%) এবং চীন (১৭.৭০%) তাদের ডেনিম রপ্তানি বাড়িয়ে বাজার সম্প্রসারণ করছে। ভৌগোলিকভাবে নিকটবর্তী দেশগুলো দ্রুত পণ্য সরবরাহের সুবিধা পাওয়ায় ইউরোপের বাজারে টিকে থাকতে বাংলাদেশকে উৎপাদনে নমনীয়তা, দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিতকরণ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইউরোপের ডেনিম বাজারে শীর্ষে বাংলাদেশ আগস্টে রপ্তানি বৃদ্ধি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেনিম পোশাকের বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের একক প্রাধান্য ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) সার্বিক ডেনিম রপ্তানির আর্থিক মূল্যে কিছুটা পতন দেখা গেলেও একক মাস হিসেবে আগস্টে আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আগস্টে ইইউর দেশগুলোতে বাংলাদেশ থেকে ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো ইউরোপীয় বাজারের গড় প্রবৃদ্ধির (১১.২৩ শতাংশ) চেয়েও বেশি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে ইইউ মোট ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ইউরো মূল্যের ডেনিম আমদানি করেছে, যার মধ্যে একা বাংলাদেশ থেকেই সরবরাহ করা হয়েছে ৮৬ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ইউরো সমপরিমাণ ডেনিম। এর মাধ্যমে ইউরোপের মোট ডেনিম আমদানির ২৯.৪০ শতাংশ বাজার এককভাবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই তালিকায় ৫২ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ইউরো নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তান এবং ৪৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে তুরস্ক। প্রথম আট মাসের সার্বিক চিত্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৫.৮৫ শতাংশ কমলেও আগস্ট মাসের ইতিবাচক প্রবাহ জুলাই মাসের ঘাটতি অনেকটাই পুষিয়ে দিয়েছে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইউরোপের বাজারে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে তুরস্ক, মরক্কো ও পাকিস্তানের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে মিশর (৩১.৪৬%), ভিয়েতনাম (৪৫.৩৮%) এবং চীন (১৭.৭০%) তাদের ডেনিম রপ্তানি বাড়িয়ে বাজার সম্প্রসারণ করছে। ভৌগোলিকভাবে নিকটবর্তী দেশগুলো দ্রুত পণ্য সরবরাহের সুবিধা পাওয়ায় ইউরোপের বাজারে টিকে থাকতে বাংলাদেশকে উৎপাদনে নমনীয়তা, দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিতকরণ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।