Dhaka ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পারিবারিক কলহের জেরে মাকে গলা কেটে খুনের অভিযোগে পুত্র আটক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক মনস্তাপ ও কলহের জের ধরে রেজিনা বেগম (৭৪) নামের এক প্রবীণ নারীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার তীব্র অভিযোগ উঠেছে তাঁরই আপন সন্তান নুর আলমের বিরুদ্ধে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশের পরপরই অভিযুক্ত নুর আলমকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুব ভোরের দিকে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও গ্রামের নিজ আবাসে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। পরলোকগত রেজিনা বেগম উক্ত গ্রামেরই স্থায়ী অধিবাসী ছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে যে, ঘরোয়া কোন্দল ও বিরোধের সূত্র ধরে নুর আলম নিজ মাতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করেন বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা-পুলিশের একটি দল দ্রত দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরবর্তী সময়ে উদ্ধার করা দেহটি সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পাদনের তাগিদে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঘটনার মূল অভিযুক্ত পুত্র নুর আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ জানান, সন্তান কর্তৃক মাতাকে নির্মমভাবে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পেছনে দায়ী নুর আলমকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, ধৃত অভিযুক্ত নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে এই সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অথবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো দলিল নিশ্চিত হলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকাশ করা সমীচীন হবে।

জনপ্রিয়

পোশাক খাতের শ্রমিক আন্দোলনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার প্রমাণ মিলল

পারিবারিক কলহের জেরে মাকে গলা কেটে খুনের অভিযোগে পুত্র আটক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক মনস্তাপ ও কলহের জের ধরে রেজিনা বেগম (৭৪) নামের এক প্রবীণ নারীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার তীব্র অভিযোগ উঠেছে তাঁরই আপন সন্তান নুর আলমের বিরুদ্ধে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশের পরপরই অভিযুক্ত নুর আলমকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুব ভোরের দিকে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও গ্রামের নিজ আবাসে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। পরলোকগত রেজিনা বেগম উক্ত গ্রামেরই স্থায়ী অধিবাসী ছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে যে, ঘরোয়া কোন্দল ও বিরোধের সূত্র ধরে নুর আলম নিজ মাতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করেন বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা-পুলিশের একটি দল দ্রত দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরবর্তী সময়ে উদ্ধার করা দেহটি সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পাদনের তাগিদে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঘটনার মূল অভিযুক্ত পুত্র নুর আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ জানান, সন্তান কর্তৃক মাতাকে নির্মমভাবে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পেছনে দায়ী নুর আলমকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, ধৃত অভিযুক্ত নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে এই সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অথবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো দলিল নিশ্চিত হলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকাশ করা সমীচীন হবে।