Dhaka ০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

পঞ্চমবারের মতো খোলা হলো সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক দানবাক্স

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ ও দুটি প্রধান দানবাক্স পঞ্চমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে। আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলার পর সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

সিলেট জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং মাজার পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের সরাসরি উপস্থিতিতে এই স্বচ্ছ গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো মাজারের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ফলে প্রায় ৩৫ দিনের মাথায় এবার পঞ্চমবারের মতো প্রকাশ্যে টাকা গণনার কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, মাজারের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট ও ১৯ সেপ্টেম্বর—এই চার দফায় দানবাক্স ও ঐতিহ্যবাহী ডেগ খুলে সর্বমোট ২ কোটি ২৯ লাখ টাকারও বেশি নগদ অর্থ পাওয়া যায়। পরিচালনা সংশ্লিষ্টদের মতে, সদ্য সমাপ্ত দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের লম্বা ছুটিতে মাজারে রেকর্ডসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটায় এবার অন্যান্যবারের চেয়ে তুলনামূলক বেশি অর্থ জমা পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাজারের যাবতীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারের এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত ওই বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো হয় যে, দানবাক্সে জমা হওয়া মোট অর্থের ৩৫ শতাংশ সরাসরি মাজারের অবকাঠামোগত ও ভক্তদের কল্যাণমূলক উন্নয়নকাজে এবং অবশিষ্ট ৬৫ শতাংশ মাজারের দৈনন্দিন পরিচালনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যয় করা হবে।

জনপ্রিয়

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা, ডেসকোর জরুরি নির্দেশনা

পঞ্চমবারের মতো খোলা হলো সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক দানবাক্স

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ ও দুটি প্রধান দানবাক্স পঞ্চমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে। আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলার পর সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

সিলেট জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং মাজার পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের সরাসরি উপস্থিতিতে এই স্বচ্ছ গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো মাজারের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ফলে প্রায় ৩৫ দিনের মাথায় এবার পঞ্চমবারের মতো প্রকাশ্যে টাকা গণনার কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, মাজারের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট ও ১৯ সেপ্টেম্বর—এই চার দফায় দানবাক্স ও ঐতিহ্যবাহী ডেগ খুলে সর্বমোট ২ কোটি ২৯ লাখ টাকারও বেশি নগদ অর্থ পাওয়া যায়। পরিচালনা সংশ্লিষ্টদের মতে, সদ্য সমাপ্ত দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের লম্বা ছুটিতে মাজারে রেকর্ডসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটায় এবার অন্যান্যবারের চেয়ে তুলনামূলক বেশি অর্থ জমা পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাজারের যাবতীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারের এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত ওই বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো হয় যে, দানবাক্সে জমা হওয়া মোট অর্থের ৩৫ শতাংশ সরাসরি মাজারের অবকাঠামোগত ও ভক্তদের কল্যাণমূলক উন্নয়নকাজে এবং অবশিষ্ট ৬৫ শতাংশ মাজারের দৈনন্দিন পরিচালনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যয় করা হবে।