বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে উভয় দেশ। একই সঙ্গে দুই বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাস্তবভিত্তিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন করে জোরদার করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন ঢাকা ও বেইজিংয়ের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে সম্প্রতি আয়োজিত চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিগত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক দিক থেকে অলৌকিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীনের অভাবনীয় সাফল্য বিশ্বের উদীয়মান উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। চীনকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং পরীক্ষিত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে কৌশলগত ও বাস্তবমুখী নানা ক্ষেত্রে সুদৃঢ় সহযোগিতা বজায় রেখে উভয় দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে কাজ করছে বর্তমান সরকার।
চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন জানান, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঠিক দিকনির্দেশনায় বেইজিং-ঢাকা কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গঠনের সিদ্ধান্ত দ্বিপক্ষীয় দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে নতুন গতি এনে দিয়েছে। চীন ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে উভয় দেশ যৌথভাবে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।


























