Dhaka ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

আজ ১১ অক্টোবর ২০২৬, আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, সর্বক্ষেত্র থেকে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে তাদের পূর্ণ সুরক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।

জাতিসংঘের বিশেষ উদ্যোগে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন শুরু হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় যেসব চ্যালেঞ্জ ও বাধা বিদ্যমান, সেগুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ক্ষমতায়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্বনেতৃবর্গকে উৎসাহিত করাই এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১১০ কোটি কন্যাশিশু রয়েছে, যাদের অপরিসীম সম্ভাবনা, সুপ্ত সৃজনশীলতা ও সামাজিক পরিবর্তনের মূল শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত দারিদ্র্য, মানসম্মত শিক্ষার চরম সুযোগের অভাব, তীব্র অপুষ্টি, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক বৈষম্য এবং নানা ধরনের সহিংসতা এখনো বহু কন্যাশিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যেকোনো যুদ্ধ, ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের কঠিন সময়গুলোতে কন্যাশিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের জন্য মানসম্মত সার্বজনীন শিক্ষা, সঠিক পুষ্টি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কুসংস্কারচ্ছন্ন বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিহত করা এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মেয়েদের সমান অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার তাগিদ তুলে ধরা হয়েছে।

কন্যাশিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে কেবল একা নয়, বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত এবং আন্তরিক উদ্যোগ অপরিহার্য। প্রতিটি মেয়ের শিক্ষার সঠিক পরিবেশ, সমান বিকাশ ও সুযোগ, শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা এবং নিজের জীবন সম্পর্কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

পোশাক খাতের শ্রমিক আন্দোলনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার প্রমাণ মিলল

আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আজ ১১ অক্টোবর ২০২৬, আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, সর্বক্ষেত্র থেকে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে তাদের পূর্ণ সুরক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।

জাতিসংঘের বিশেষ উদ্যোগে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন শুরু হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় যেসব চ্যালেঞ্জ ও বাধা বিদ্যমান, সেগুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ক্ষমতায়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্বনেতৃবর্গকে উৎসাহিত করাই এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১১০ কোটি কন্যাশিশু রয়েছে, যাদের অপরিসীম সম্ভাবনা, সুপ্ত সৃজনশীলতা ও সামাজিক পরিবর্তনের মূল শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত দারিদ্র্য, মানসম্মত শিক্ষার চরম সুযোগের অভাব, তীব্র অপুষ্টি, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক বৈষম্য এবং নানা ধরনের সহিংসতা এখনো বহু কন্যাশিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যেকোনো যুদ্ধ, ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের কঠিন সময়গুলোতে কন্যাশিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের জন্য মানসম্মত সার্বজনীন শিক্ষা, সঠিক পুষ্টি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কুসংস্কারচ্ছন্ন বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিহত করা এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মেয়েদের সমান অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার তাগিদ তুলে ধরা হয়েছে।

কন্যাশিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে কেবল একা নয়, বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত এবং আন্তরিক উদ্যোগ অপরিহার্য। প্রতিটি মেয়ের শিক্ষার সঠিক পরিবেশ, সমান বিকাশ ও সুযোগ, শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা এবং নিজের জীবন সম্পর্কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হবে।