সদ্য ক্ষমতাচ্যুত বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার সুপরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে বাংলাদেশকে নিঃশেষ করার গভীর চক্রান্ত করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে নাটোর শহরের পটুয়াপাড়ার ঝাউতলা মরিয়ম স্কুলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা মেইল’-এর এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ দুলু বলেন, “বিশ্বের কোনো দেশকে যদি চিরতরে নিশ্চিহ্ন বা পঙ্গু করে দিতে হয়, তবে প্রথম আঘাতটি হানা হয় তার শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। আওয়ামী লীগ সরকার গত দেড় দশকে সুপরিকল্পিতভাবে সেই কাজটই করে গেছে।” পরীক্ষার হলে কোনো কিছু না লিখে সাদা খাতা জমা দিয়ে আসলেও জিপিএ-ফাইভ কিংবা সামান্য লিখলেই গোল্ডেন জিপিএ-ফাইভ বানিয়ে দেওয়ার মতো চরম খামখেয়ালিপনা ও প্রহসন চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার মতো স্পর্শকাতর খাতে এই তামাশা ও অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ করেছে। না পড়ে বা না লিখে আর কারও পাস করার কোনো সুযোগ নেই। ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বর্তমান বিএনপি সরকার বিগত অর্থ বছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানান তিনি।
মরিয়ম স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিস্টার শিল্পী পেরেরা আরএনডিএম-এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, পটুয়াপাড়ার সেন্ট ফাব্রিস ডায়ালগ সেন্টারের পরিচালক ফাদার দীনো যাকোমিন্নেল্লী পিমে, নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোভিত্তিকুর রহমান শাহীন ও সাইফুল ইসলাম আফতাব, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম এবং এমদাদুল হক আল মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।






















