বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের মহান আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক সংগ্রামে এক চিরভাস্বর ও স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।
‘শহীদ জেহাদ দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর বিদেহী রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা২৪.কম’-এর এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদ ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের এক অবিস্মরণীয় ও নক্ষত্রসম নাম। রক্তস্নাত সেই সংগ্রাম মূলত এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্র ও সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার আন্দোলন ছিল। ফলে বাংলাদেশের স্বৈরাচারবিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ জেহাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সুমহান লক্ষ্যেই জেহাদ অকাতরে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর তাজা রক্তের ধারাবাহিকতায় ৯০-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান জোরদার হয়, যার মুখে স্বৈরশাসক এরশাদের পতন ঘটে এবং দেশে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার শুভ সূচনা হয়। স্বৈরাচারী শাসন উচ্ছেদ করে গণতন্ত্রের বিজয়ে তাঁর এই অসামান্য ও পথপ্রদর্শক ভূমিকার জন্য পুরো জাতি চিরকাল গর্ববোধ করবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যে বুকভরা স্বপ্ন ও সুনির্দিষ্ট প্রত্যাশা নিয়ে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদ স্বৈরাচারের তপ্ত বুলেট নিজের বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণ করাই বর্তমান প্রজন্মের প্রধান দায়িত্ব। রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করাই হবে আমাদের অঙ্গীকার, আর তবেই শহীদ জেহাদের আত্মা চিরশান্তি পাবে।






















