Dhaka ০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে দুই রুটে ছয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

যাত্রী চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও সেবার কাঙ্ক্ষিত মান বৃদ্ধি না পাওয়া এবং ব্যাপক অব্যবস্থাপনার কারণে জামালপুর রেলরুটে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত দুর্ভোগ দিন দিন চরমে উঠেছে। দীর্ঘদিনের তীব্র শিডিউল বিপর্যয়, মান্ধাতার আমলের পুরোনো কোচ ব্যবহার, তীব্র আসন সংকট এবং এর সঙ্গে সম্প্রতি দুটি রুটে ছয়টি ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলের রেলযাত্রীদের জনজীবন ও যাতায়াত অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই রেলপথে যাত্রী দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ১৮৯৪ সালে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে প্রথম রেলপথে যুক্ত হয় জামালপুর অঞ্চল। পরবর্তীতে ১৮৯৯ সালে জগন্নাথগঞ্জ এবং ১৯১২ সালে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত হলে এই অঞ্চলটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জংশনে পরিণত হয়। তবে ১৯৯৮ সালে যমুনা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর থেকেই এই রেলপথে ট্রেন ও যাত্রীদের ব্যস্ততা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। বর্তমানে এই রুটে আন্তনগর, মেইল ও লোকাল মিলে মোট ১৩ জোড়া ট্রেন নিয়মিত চলাচল করার কথা থাকলেও বেশ কিছুদিন ধরে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ ও জামালপুর-ইব্রাহিমাবাদ রুটে গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি লোকাল ও মেইল ট্রেনের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

বর্তমানে বন্ধ থাকা ট্রেনগুলোর দীর্ঘ তালিকার মধ্যে রয়েছে—ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী ৫৫ নম্বর আপ ও ৫৬ নম্বর ডাউন ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী ৩৫৫ নম্বর আপ ও ৩৫৬ নম্বর ডাউন দেওয়ানগঞ্জ লোকাল এবং ময়মনসিংহ থেকে ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন পর্যন্ত চলাচলকারী ৭৫ নম্বর আপ ও ৭৬ নম্বর ডাউন ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বশীল কোনো সূত্র থেকে সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছে না যে ঠিক কবে নাগাদ এই গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোর চলাচল পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের প্রধান অভিযোগ হলো, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি চালু ট্রেনেই নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে অসহ্য শিডিউল বিপর্যয়। এর সঙ্গে তীব্র আসন সংকট এবং মান্ধাতার আমলের অত্যন্ত পুরোনো কোচ ব্যবহারের ফলে যাত্রীদের অবর্ণনীয় কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। বেশিরভাগ বগির ফ্যান ও বৈদ্যুতিক বাতি নষ্ট থাকা, সিট ভেঙে যাওয়া এবং সার্বিকভাবে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী শাওন ও আমিনুর ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে, ট্রেনের নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি নেই এবং অনেক সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ট্রেনে ওঠার সুযোগও পাওয়া যায় না। এছাড়া ভেতরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থার অভাবে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। শিক্ষার্থী যাত্রী আরিফিন জান্নাত আঁখি জানান, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে নারী যাত্রীদের জন্য ট্রেনে যাতায়াত করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে এবং ওয়াশরুমগুলোর বর্তমান অবস্থাও চরম শোচনীয়।

এই সার্বিক পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম মনে করেন যে, দ্রুত নতুন ইঞ্জিন ও আধুনিক কোচ আমদানি করা এবং নিয়মিত রেললাইন মেরামত নিশ্চিত করা গেলেই কেবল এই অঞ্চলের রেলযাত্রীদের মানসম্মত ও স্বস্তিদায়ক সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। জামালপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশনমাস্টার মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন যে, মূলত তীব্র ইঞ্জিন সংকটের কারণেই ট্রেনগুলোর চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে অচল ইঞ্জিনগুলোর মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক নতুন ইঞ্জিন ক্রয়ের প্রক্রিয়াও বর্তমানে বহাল রয়েছে। যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তির বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান যে, জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর পর্যন্ত রেললাইনের আধুনিকায়ন এবং জামালপুর থেকে সরিষাবাড়ী হয়ে যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত মিটারগেজ লাইন স্থাপনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে অত্র অঞ্চলের রেলসেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান যে, জয়দেবপুর থেকে জামালপুর লাইনের মান উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে গত দুই বছর ধরে নতুন কোনো কোচ সরবরাহ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে যে কোচগুলো সচল রয়েছে সেগুলোকে কোনোমতে মেরামত করে যাত্রীদের জরুরি সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে দুই রুটে ছয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

যাত্রী চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও সেবার কাঙ্ক্ষিত মান বৃদ্ধি না পাওয়া এবং ব্যাপক অব্যবস্থাপনার কারণে জামালপুর রেলরুটে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত দুর্ভোগ দিন দিন চরমে উঠেছে। দীর্ঘদিনের তীব্র শিডিউল বিপর্যয়, মান্ধাতার আমলের পুরোনো কোচ ব্যবহার, তীব্র আসন সংকট এবং এর সঙ্গে সম্প্রতি দুটি রুটে ছয়টি ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলের রেলযাত্রীদের জনজীবন ও যাতায়াত অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই রেলপথে যাত্রী দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ১৮৯৪ সালে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে প্রথম রেলপথে যুক্ত হয় জামালপুর অঞ্চল। পরবর্তীতে ১৮৯৯ সালে জগন্নাথগঞ্জ এবং ১৯১২ সালে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত হলে এই অঞ্চলটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জংশনে পরিণত হয়। তবে ১৯৯৮ সালে যমুনা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর থেকেই এই রেলপথে ট্রেন ও যাত্রীদের ব্যস্ততা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। বর্তমানে এই রুটে আন্তনগর, মেইল ও লোকাল মিলে মোট ১৩ জোড়া ট্রেন নিয়মিত চলাচল করার কথা থাকলেও বেশ কিছুদিন ধরে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ ও জামালপুর-ইব্রাহিমাবাদ রুটে গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি লোকাল ও মেইল ট্রেনের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

বর্তমানে বন্ধ থাকা ট্রেনগুলোর দীর্ঘ তালিকার মধ্যে রয়েছে—ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী ৫৫ নম্বর আপ ও ৫৬ নম্বর ডাউন ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী ৩৫৫ নম্বর আপ ও ৩৫৬ নম্বর ডাউন দেওয়ানগঞ্জ লোকাল এবং ময়মনসিংহ থেকে ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন পর্যন্ত চলাচলকারী ৭৫ নম্বর আপ ও ৭৬ নম্বর ডাউন ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বশীল কোনো সূত্র থেকে সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছে না যে ঠিক কবে নাগাদ এই গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোর চলাচল পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের প্রধান অভিযোগ হলো, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি চালু ট্রেনেই নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে অসহ্য শিডিউল বিপর্যয়। এর সঙ্গে তীব্র আসন সংকট এবং মান্ধাতার আমলের অত্যন্ত পুরোনো কোচ ব্যবহারের ফলে যাত্রীদের অবর্ণনীয় কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। বেশিরভাগ বগির ফ্যান ও বৈদ্যুতিক বাতি নষ্ট থাকা, সিট ভেঙে যাওয়া এবং সার্বিকভাবে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী শাওন ও আমিনুর ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে, ট্রেনের নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি নেই এবং অনেক সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ট্রেনে ওঠার সুযোগও পাওয়া যায় না। এছাড়া ভেতরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থার অভাবে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। শিক্ষার্থী যাত্রী আরিফিন জান্নাত আঁখি জানান, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে নারী যাত্রীদের জন্য ট্রেনে যাতায়াত করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে এবং ওয়াশরুমগুলোর বর্তমান অবস্থাও চরম শোচনীয়।

এই সার্বিক পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম মনে করেন যে, দ্রুত নতুন ইঞ্জিন ও আধুনিক কোচ আমদানি করা এবং নিয়মিত রেললাইন মেরামত নিশ্চিত করা গেলেই কেবল এই অঞ্চলের রেলযাত্রীদের মানসম্মত ও স্বস্তিদায়ক সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। জামালপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশনমাস্টার মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন যে, মূলত তীব্র ইঞ্জিন সংকটের কারণেই ট্রেনগুলোর চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে অচল ইঞ্জিনগুলোর মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক নতুন ইঞ্জিন ক্রয়ের প্রক্রিয়াও বর্তমানে বহাল রয়েছে। যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তির বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান যে, জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর পর্যন্ত রেললাইনের আধুনিকায়ন এবং জামালপুর থেকে সরিষাবাড়ী হয়ে যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত মিটারগেজ লাইন স্থাপনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে অত্র অঞ্চলের রেলসেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান যে, জয়দেবপুর থেকে জামালপুর লাইনের মান উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে গত দুই বছর ধরে নতুন কোনো কোচ সরবরাহ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে যে কোচগুলো সচল রয়েছে সেগুলোকে কোনোমতে মেরামত করে যাত্রীদের জরুরি সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে।