ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিটির সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দিন এমপির সভাপতিত্বে বুধবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২৫টি দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে পরিচিতি এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাথমিক পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রমের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়।
স্থায়ী কমিটির সদস্যরা জনগণের পক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দিন তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পর সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্গঠন, শৃঙ্খলা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা নীতির উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা, কলেবর বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন ও প্রশিক্ষণের উন্নয়নসহ একে সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ওপর আলোকপাত করেন।
বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে মান্ধাতার আমলের মেশিনারিজ থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে সজ্জিত করার জন্য জরুরি সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মাণাধীন অবকাঠামোগুলোতে জ্বালানি সাশ্রয়ী পরিকল্পনা (সেভ এনার্জি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যয় সাশ্রয়ের (সেভ মানি) প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীতে মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
একটি আধুনিক ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা প্রত্যাশা করে বৈঠকটি শেষ হয়।






















