Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত দেশের কোনো তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তবে সামপ্রতিক এই বিদ্যুৎ ও গ্যাস ঘাটতির প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ প্রভাব শিল্পখাতে কতটা পড়েছে, তা স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে আরও অন্তত তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ‘বাটেক্সপো ২০২৬’, হংকং রোডশো এবং পোশাক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি উল্লেখ করেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় বর্তমানে শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। পোশাকখাতে যেকোনো অর্থনৈতিক বা পরিচালনাগত সংকটের অভিঘাত সঙ্গে সঙ্গে পরিলক্ষিত হয় না। কোনো একটি কারখানা হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়; কারণ পাইপলাইনে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ সম্পন্ন করা, শ্রমিকদের আইনগত পাওনা মেটানো এবং ব্যাংকের চলতি দায়দেনা চূড়ান্তভাবে সমন্বয়সহ নানা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া গুটিয়ে আনতে প্রায় ছয় মাসের একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন পড়ে। ফলে বিগত দুই মাসের জ্বালানি সংকটের তাৎক্ষণিক প্রভাবে কোনো কারখানা বন্ধ হয়নি। তবে সম্প্রতি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকের পর শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

বিজিএমইএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় ডাইং ও ওয়াশিং খাতের মতো ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ কারখানাগুলোর স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। স্বাভাবিক সময়ে একটি পোশাক কারখানা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সচল থাকলেও, সংকটকালে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে অতিরিক্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে, যা সার্বিক উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংকট স্থায়ীভাবে কাটিয়ে উঠতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা জমা দিয়েছে বিজিএমইএ, যা বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে জ্বালানি সমস্যা বড় পরিসরে সমাধান করা সম্ভব। জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাড়তি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য স্থলভিত্তিক বা ‘ল্যান্ড-বেইজড’ স্টোরেজ টার্মিনাল নির্মাণের ওপর জোর দেন বিজিএমইএ সভাপতি। একই সঙ্গে বিতরণ পাইপলাইনের সংস্কার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) কারখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযোগ এবং উপকূলীয় এলাকায় অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করার দাবি জানান তিনি।

শিল্পে সৌরবিদ্যুৎ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে কম সুদে ‘গ্রিন লোন’ বা সবুজ অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চালুর কথা জানান সংগঠনটির প্রধান। নিজের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২০১৯ সাল থেকে ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বর্তমানে প্রায় ১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পোশাক খাতের অন্যান্য কারখানাগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে চলতি মাসেই বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের নির্ধারিত সময়সীমা অতিরিক্ত তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবটি পাস হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এর ফলে এলডিসি-উত্তর বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে বেসরকারি খাত বাড়তি সময় পাবে, যা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

রপ্তানি বাজারের সুরক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কেবল ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের তাগিদ দিয়েছে বিজিএমইএ। পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণে কাস্টমস ও কোম্পানি আইন আধুনিকায়ন এবং রপ্তানি খাতে অন্তত পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল শুল্ক-কর কাঠামোর নীতিগত সহায়তা চেয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের মোট পোশাক রপ্তানির মধ্যে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার আসছে আমেরিকা, ইউরোপ ও কানাডার বাইরের নতুন বাজারগুলো থেকে। এই ধারা আরও বেগবান করতে ব্যাংকিং অংশীদার এইচএসবিসির সঙ্গে হংকংয়ে বিশেষ রোডশো আয়োজন এবং জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ সুগম করতে বিজিএমইএ ভবনে ‘জাপান ডেস্ক’ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাপানে বর্তমানে থাকা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ২ থেকে আড়াই বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং দেশীয় তৈরি পোশাককে বিশ্বমঞ্চে আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প হিসেবে তুলে ধরতে ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম’-এর সঙ্গে কৌশলগত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টিও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত দেশের কোনো তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তবে সামপ্রতিক এই বিদ্যুৎ ও গ্যাস ঘাটতির প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ প্রভাব শিল্পখাতে কতটা পড়েছে, তা স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে আরও অন্তত তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ‘বাটেক্সপো ২০২৬’, হংকং রোডশো এবং পোশাক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি উল্লেখ করেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় বর্তমানে শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। পোশাকখাতে যেকোনো অর্থনৈতিক বা পরিচালনাগত সংকটের অভিঘাত সঙ্গে সঙ্গে পরিলক্ষিত হয় না। কোনো একটি কারখানা হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়; কারণ পাইপলাইনে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ সম্পন্ন করা, শ্রমিকদের আইনগত পাওনা মেটানো এবং ব্যাংকের চলতি দায়দেনা চূড়ান্তভাবে সমন্বয়সহ নানা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া গুটিয়ে আনতে প্রায় ছয় মাসের একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন পড়ে। ফলে বিগত দুই মাসের জ্বালানি সংকটের তাৎক্ষণিক প্রভাবে কোনো কারখানা বন্ধ হয়নি। তবে সম্প্রতি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকের পর শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

বিজিএমইএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় ডাইং ও ওয়াশিং খাতের মতো ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ কারখানাগুলোর স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। স্বাভাবিক সময়ে একটি পোশাক কারখানা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সচল থাকলেও, সংকটকালে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে অতিরিক্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে, যা সার্বিক উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংকট স্থায়ীভাবে কাটিয়ে উঠতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা জমা দিয়েছে বিজিএমইএ, যা বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে জ্বালানি সমস্যা বড় পরিসরে সমাধান করা সম্ভব। জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বাড়তি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য স্থলভিত্তিক বা ‘ল্যান্ড-বেইজড’ স্টোরেজ টার্মিনাল নির্মাণের ওপর জোর দেন বিজিএমইএ সভাপতি। একই সঙ্গে বিতরণ পাইপলাইনের সংস্কার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) কারখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযোগ এবং উপকূলীয় এলাকায় অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করার দাবি জানান তিনি।

শিল্পে সৌরবিদ্যুৎ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে কম সুদে ‘গ্রিন লোন’ বা সবুজ অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চালুর কথা জানান সংগঠনটির প্রধান। নিজের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২০১৯ সাল থেকে ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বর্তমানে প্রায় ১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পোশাক খাতের অন্যান্য কারখানাগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে চলতি মাসেই বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের নির্ধারিত সময়সীমা অতিরিক্ত তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবটি পাস হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এর ফলে এলডিসি-উত্তর বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে বেসরকারি খাত বাড়তি সময় পাবে, যা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

রপ্তানি বাজারের সুরক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কেবল ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের তাগিদ দিয়েছে বিজিএমইএ। পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণে কাস্টমস ও কোম্পানি আইন আধুনিকায়ন এবং রপ্তানি খাতে অন্তত পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল শুল্ক-কর কাঠামোর নীতিগত সহায়তা চেয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের মোট পোশাক রপ্তানির মধ্যে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার আসছে আমেরিকা, ইউরোপ ও কানাডার বাইরের নতুন বাজারগুলো থেকে। এই ধারা আরও বেগবান করতে ব্যাংকিং অংশীদার এইচএসবিসির সঙ্গে হংকংয়ে বিশেষ রোডশো আয়োজন এবং জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ সুগম করতে বিজিএমইএ ভবনে ‘জাপান ডেস্ক’ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাপানে বর্তমানে থাকা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ২ থেকে আড়াই বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং দেশীয় তৈরি পোশাককে বিশ্বমঞ্চে আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প হিসেবে তুলে ধরতে ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম’-এর সঙ্গে কৌশলগত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টিও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়।