Dhaka ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দুই বিএনপি নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগ: এসপি এহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে দুইজন জাতীয়তাবাদী নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছিল তৎকালীন এসপি একেএম এহসান উল্লাহর নির্দেশে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন তৎকালীন ডিআইজি হুমায়ুন কবির। তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানার পর এসপিকে ডেকে ভর্ৎসনা করেছিলেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তার বদলির অনুরোধও করেছিলেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ গৃহীত হওয়া বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজির এই জবানবন্দিতেই এসব তথ্য উঠে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন- আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এমপি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও এসপি এহসান উল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেন হুমায়ুন কবির। বর্তমানে তিনি ভারতে চিকিৎসাধীন থাকায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিতে পারেননি। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া তার জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে প্রসিকিউশনের আবেদন ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করে।

জবানবন্দিতে হুমায়ুন কবির বলেন, ২০১৫ সালে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী গাড়িতে অজ্ঞাতনামা লোকজন আগুন দিলে এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহ নিজে তদারকি করে ২ আসামি কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে কার্যালয়ে গিয়ে ঘটনাটি জানার পর আমি এসপিকে অফিসে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তাকে অপেশাদার কাজের জন্য ভর্ৎসনা করি।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, পরে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলামকে অফিসে ডেকে ঘটনার বিষয় জানতে চাই। মনিরুল আমাকে জানায়, দুজন ব্যক্তিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করলেও এসপির নির্দেশে তাদেরকে ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়। এরপর আমাদেরকে (আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ) পুলিশ সুপার আসামিদের ক্রসফায়ার দিতে বললে, কোনো অফিসার বা ফোর্স রাজি হয়নি। তখন এসপি অন্য থানার পুলিশ সদস্যদের দিয়ে এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডটি ঘটান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দুই বিএনপি নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগ: এসপি এহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে দুইজন জাতীয়তাবাদী নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছিল তৎকালীন এসপি একেএম এহসান উল্লাহর নির্দেশে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন তৎকালীন ডিআইজি হুমায়ুন কবির। তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানার পর এসপিকে ডেকে ভর্ৎসনা করেছিলেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তার বদলির অনুরোধও করেছিলেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ গৃহীত হওয়া বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজির এই জবানবন্দিতেই এসব তথ্য উঠে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন- আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এমপি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও এসপি এহসান উল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেন হুমায়ুন কবির। বর্তমানে তিনি ভারতে চিকিৎসাধীন থাকায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিতে পারেননি। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া তার জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে প্রসিকিউশনের আবেদন ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করে।

জবানবন্দিতে হুমায়ুন কবির বলেন, ২০১৫ সালে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী গাড়িতে অজ্ঞাতনামা লোকজন আগুন দিলে এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহ নিজে তদারকি করে ২ আসামি কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে কার্যালয়ে গিয়ে ঘটনাটি জানার পর আমি এসপিকে অফিসে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তাকে অপেশাদার কাজের জন্য ভর্ৎসনা করি।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, পরে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলামকে অফিসে ডেকে ঘটনার বিষয় জানতে চাই। মনিরুল আমাকে জানায়, দুজন ব্যক্তিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করলেও এসপির নির্দেশে তাদেরকে ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়। এরপর আমাদেরকে (আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ) পুলিশ সুপার আসামিদের ক্রসফায়ার দিতে বললে, কোনো অফিসার বা ফোর্স রাজি হয়নি। তখন এসপি অন্য থানার পুলিশ সদস্যদের দিয়ে এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডটি ঘটান।