Dhaka ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকা এবং গাজার মানবিক বিপর্যয় নিয়ে জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জোরালো বক্তব্য

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বিশ্বমঞ্চে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট, জাতিসংঘের কার্যকারিতা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এক তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের দৃশ্যমান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ভাষণের শুরুতে ড. খলিলুর রহমান চার দশক আগের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কূটনীতিক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন যে, বহুপাক্ষিকতা এবং জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন নয়। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্থাটি এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে আসছে। তবে, বৈশ্বিক শান্তি ও কূটনীতির জন্য জাতিসংঘ অপরিহার্য এবং এর কোনো বিকল্প নেই বলেই এটি টিকে আছে। ১৯৪৫ সালে ৫০টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানে আজ ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র এক ছাদের নিচে মিলিত হয়েছে, যা মানব ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অর্জন। একটি ধ্বংসাত্মক বিশ্বযুদ্ধ এড়ানোই ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল অঙ্গীকার এবং সে লক্ষ্যে এটি সফল হয়েছে।

গাজা পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা ও মানবিক বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গাজার চলমান যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৭০,০০০-এরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে একটি বড় অংশই নিষ্পাপ শিশু ও বেসামরিক নাগরিক। তিনি আরও বলেন, অবরুদ্ধ গাজায় প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তার অত্যন্ত নগণ্য অংশ পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিবেকের জন্য চরম লজ্জাজনক। ড. খলিল গাজা, ইউক্রেন, সুদান ও মিয়ানমারের মতো স্থানে সংঘাতের কথা উল্লেখ করে মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অবমাননার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকা এবং গাজার মানবিক বিপর্যয় নিয়ে জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জোরালো বক্তব্য

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বিশ্বমঞ্চে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট, জাতিসংঘের কার্যকারিতা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এক তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের দৃশ্যমান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ভাষণের শুরুতে ড. খলিলুর রহমান চার দশক আগের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কূটনীতিক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন যে, বহুপাক্ষিকতা এবং জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন নয়। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্থাটি এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে আসছে। তবে, বৈশ্বিক শান্তি ও কূটনীতির জন্য জাতিসংঘ অপরিহার্য এবং এর কোনো বিকল্প নেই বলেই এটি টিকে আছে। ১৯৪৫ সালে ৫০টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানে আজ ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র এক ছাদের নিচে মিলিত হয়েছে, যা মানব ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অর্জন। একটি ধ্বংসাত্মক বিশ্বযুদ্ধ এড়ানোই ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল অঙ্গীকার এবং সে লক্ষ্যে এটি সফল হয়েছে।

গাজা পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা ও মানবিক বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গাজার চলমান যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৭০,০০০-এরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে একটি বড় অংশই নিষ্পাপ শিশু ও বেসামরিক নাগরিক। তিনি আরও বলেন, অবরুদ্ধ গাজায় প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তার অত্যন্ত নগণ্য অংশ পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিবেকের জন্য চরম লজ্জাজনক। ড. খলিল গাজা, ইউক্রেন, সুদান ও মিয়ানমারের মতো স্থানে সংঘাতের কথা উল্লেখ করে মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অবমাননার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।