জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর থেকেই দেশের পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নতুন দাম কার্যকরের পরপরই পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় চাল, ডাল, তেল ও চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দামে পণ্য বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর থেকে বিভিন্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পণ্যের নতুন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। গত দুই দিনে কোনো কোম্পানির প্রতিনিধিকে বাজারে দেখা যায়নি এবং নতুন কোনো পণ্যও সরবরাহ করা হয়নি। ব্যবসায়ীদের ধারণা, কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে পণ্য সরবরাহ আটকে রেখেছে।
তবে ভোগ্যপণ্যের বড় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পণ্য সরবরাহ বন্ধ রাখার অভিযোগ সঠিক নয়। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় সামগ্রিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কোম্পানিগুলো বর্তমানে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা পর্যবেক্ষণ করছে। এদিকে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজারে সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর এই প্রবণতা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানানো হয়েছে।


























