শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র সম্পদ রয়েছে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে এই সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো জরুরি। তিনি ‘ব্লু ইকোনমি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান।
সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে বিদেশে পাঠাতে পারলে অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এ লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগানোর এটিই উপযুক্ত সময়।
এহছানুল হক মিলন বলেন, শিল্পকারখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চীনের নিবিড় সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয়। তিনি ‘ব্লু ইকনোমি’ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় চীনের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান বাংলাদেশে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।
শিক্ষামন্ত্রী চীন-বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শিক্ষা পারে দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং।


























