Dhaka ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ: ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৫ কিমি যানজট

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও সহিংসতা চালিয়েছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। রোববার সকাল থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাকসহ বিভিন্ন পয়েন্টে শ্রমিকেরা অবস্থান নেন। তারা মহাসড়কের ওপর বিদ্যুতের খুঁটি ও বিভিন্ন বস্তু ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার টানা অবরোধে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসেন। তারা ‘ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা’ করার দাবিতে স্লোগান দিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ তৈরি করেন। এর ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে দূরপাল্লার বাস, ঢাকাগামী কাঁচামাল ও পণ্যবাহী ট্রাক এবং শত শত ছোট যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে। উত্তরবঙ্গ ও ঢাকামুখী হাজার হাজার যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। চরম এই যানজট ও দুর্ভোগের কারণে বাধ্য হয়ে বহু যাত্রীকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা যায়।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল (কাঁদানে গ্যাস) ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। এর জবাবে শ্রমিকেরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং কারখানার জানমালের নিরাপত্তায় চন্দ্রা ও সফিপুর এলাকার অন্তত ২০টি পোশাক কারখানা আজকের মতো ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।

হাইওয়ে ও জেলা ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়ক সচল এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ: ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৫ কিমি যানজট

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও সহিংসতা চালিয়েছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। রোববার সকাল থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাকসহ বিভিন্ন পয়েন্টে শ্রমিকেরা অবস্থান নেন। তারা মহাসড়কের ওপর বিদ্যুতের খুঁটি ও বিভিন্ন বস্তু ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার টানা অবরোধে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসেন। তারা ‘ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা’ করার দাবিতে স্লোগান দিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ তৈরি করেন। এর ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে দূরপাল্লার বাস, ঢাকাগামী কাঁচামাল ও পণ্যবাহী ট্রাক এবং শত শত ছোট যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে। উত্তরবঙ্গ ও ঢাকামুখী হাজার হাজার যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। চরম এই যানজট ও দুর্ভোগের কারণে বাধ্য হয়ে বহু যাত্রীকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা যায়।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল (কাঁদানে গ্যাস) ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। এর জবাবে শ্রমিকেরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং কারখানার জানমালের নিরাপত্তায় চন্দ্রা ও সফিপুর এলাকার অন্তত ২০টি পোশাক কারখানা আজকের মতো ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।

হাইওয়ে ও জেলা ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়ক সচল এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।