Dhaka ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি আয় বেড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো: প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। বিগত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। এই সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এই দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের রপ্তানি আয় বেড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো: প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। বিগত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। এই সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এই দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।