Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর খুচরা বাজারে সবজির সরবরাহ প্রচুর, তবুও আগুন দামে বিপাকে ক্রেতারা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আগাম শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ ও উপস্থিতি থাকলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য মূল্যের দিক থেকে কাঙ্ক্ষিত কোনো স্বস্তি ফিরে আসেনি। বাজারে বর্তমানে আলু ও পেঁপে ছাড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকার নিচে প্রায় কোনো ধরনের সবজিই মিলছে না। তা ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় গোল ও লম্বা বেগুনের দাম জাতভেদে সেঞ্চুরি পার করে প্রতি কেজি ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় হাতে গোনা দু-একটি সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকার মতো সামান্য কমলেও অন্যান্য প্রায় সব সবজির বাজারদর আগের মতো অনড় ও চড়া অবস্থায় রয়ে গেছে। পাশাপাশি মাছ ও মাংসের খুচরা দামও আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও এবং বনশ্রী এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন কাঁচাবাজার সরজমিনে ঘুরে সবজি ও নিত্যপণ্যের দামের এমন ঊর্ধ্বমুখী চিত্র প্রত্যক্ষ করা গেছে।

আজকের খুচরা বাজারদর ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, নতুন শিম ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ (ভেন্ডি) ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ টাকা, পাকা টমেটো ১২০ টাকা এবং দেশি ও আমদানি করা রসুন ১২০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৮০ টাকা এবং লাউ আকারভেদে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মেরাদিয়া বাজারের বর্ষীয়ান সবজি বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, “সবজির পাইকারি দাম আগের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে। তবে এর চেয়ে বেশি আর কমবে বলে মনে হয় না। বাজারে নতুন শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও জ্বালানি ও পরিবহন খরচসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে খুচরা স্তরে এর চেয়ে কমে বিক্রি করা সম্ভব নয়।” তিনি যুক্তি দিয়ে আরও বলেন, “পাইকারি আড়ত থেকে যদি আমাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়, তবে আমরা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে কীভাবে কম দামে দেবো? আমরা আড়তে কম দামে কিনতে পারলে তবেই তো খুচরা বাজারে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব।”

সালামের মতে, বাজারে কয়েকটি সবজির দাম অল্প কিছুটা নামলেও কিছু সবজির দর আগের মতোই চড়া আছে এবং নিকট ভবিষ্যতে বাজারের গতিপ্রকৃতি এমনটাই বজায় থাকবে।

এদিকে কেবল কাঁচাসবজিই নয়, বাজারে মাছ ও মাংসের বাজারদরও আগের চড়া অবস্থাতেই স্থবির হয়ে আছে। মাংসের বাজারে দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি বা কক মুরগি ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাড়সহ গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮২০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের বাজারেও নেই কোনো বিশেষ স্বস্তি। আকার ও সাইজভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, মাঝারি ও বড় সাইজের তেলাপিয়া এবং পাঙ্গাস ৩০০ টাকা, মাঝারি চিংড়ি ৭৫০ টাকা এবং মলা মাছ ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, আড়ত ও বাজারে সবজির কোনো ধরনের ঘাটতি বা জোগান সংকট নেই; তবুও আশ্চর্যজনকভাবে আশানুরূপ দাম কমছে না। মানভেদে বেগুন এখনো ১০০ টাকা বা তার বেশি কেজিতে কিনতে হচ্ছে। পটলও বিভিন্ন বাজারে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে ঝুলছে।

মশিউর রহমান নামের এক ভুক্তভোগী ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত বছর আমরা একই সময়ে এই পটলের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় কিনেছি। আর এবার তা এক লাফে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমনকি চলতি মাসের শুরুতেও পটল ১২০ টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হয়েছে। সবজি, মাছ কিংবা মাংস—কোনোটাতেই এখন আর সাধারণ মানুষের স্বস্তি নেই। দিনদিন বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যের যে অপ্রতিরোধ্য বৃদ্ধি, তার সঙ্গে আমরা সাধারণ আয়ের মানুষেরা খাপ খাওয়াতে পারছি না। কবে যে একটু শান্তিতে বাজার করতে পারবো, জানা নেই।”

মনির হোসেন নামের অপর এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “সবজি থেকে শুরু করে মাছ, মাংস বা চাল-ডালের মুদিবাজার—কোথাও শান্তি মিলছে না। যেভাবে প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে, তাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন জীবন চালানো এখন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এভাবে লাগামহীনভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ পরিবারের দিশেহারা হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”

মনির হোসেনের মতে, সাধারণ খেটে খাওয়া ও সীমিত আয়ের মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগে বাজারব্যবস্থাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে মনিটরিং ও তদারকি করা জরুরি। সাধারণ মানুষ যাতে অন্তত নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারে, অবিলম্বে সরকারকে সেই ফলপ্রসূ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার তাগিদ দেন তিনি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর খুচরা বাজারে সবজির সরবরাহ প্রচুর, তবুও আগুন দামে বিপাকে ক্রেতারা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৫০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আগাম শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ ও উপস্থিতি থাকলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য মূল্যের দিক থেকে কাঙ্ক্ষিত কোনো স্বস্তি ফিরে আসেনি। বাজারে বর্তমানে আলু ও পেঁপে ছাড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকার নিচে প্রায় কোনো ধরনের সবজিই মিলছে না। তা ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় গোল ও লম্বা বেগুনের দাম জাতভেদে সেঞ্চুরি পার করে প্রতি কেজি ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় হাতে গোনা দু-একটি সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকার মতো সামান্য কমলেও অন্যান্য প্রায় সব সবজির বাজারদর আগের মতো অনড় ও চড়া অবস্থায় রয়ে গেছে। পাশাপাশি মাছ ও মাংসের খুচরা দামও আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও এবং বনশ্রী এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন কাঁচাবাজার সরজমিনে ঘুরে সবজি ও নিত্যপণ্যের দামের এমন ঊর্ধ্বমুখী চিত্র প্রত্যক্ষ করা গেছে।

আজকের খুচরা বাজারদর ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, নতুন শিম ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ (ভেন্ডি) ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ টাকা, পাকা টমেটো ১২০ টাকা এবং দেশি ও আমদানি করা রসুন ১২০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৮০ টাকা এবং লাউ আকারভেদে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মেরাদিয়া বাজারের বর্ষীয়ান সবজি বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, “সবজির পাইকারি দাম আগের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে। তবে এর চেয়ে বেশি আর কমবে বলে মনে হয় না। বাজারে নতুন শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও জ্বালানি ও পরিবহন খরচসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে খুচরা স্তরে এর চেয়ে কমে বিক্রি করা সম্ভব নয়।” তিনি যুক্তি দিয়ে আরও বলেন, “পাইকারি আড়ত থেকে যদি আমাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়, তবে আমরা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে কীভাবে কম দামে দেবো? আমরা আড়তে কম দামে কিনতে পারলে তবেই তো খুচরা বাজারে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব।”

সালামের মতে, বাজারে কয়েকটি সবজির দাম অল্প কিছুটা নামলেও কিছু সবজির দর আগের মতোই চড়া আছে এবং নিকট ভবিষ্যতে বাজারের গতিপ্রকৃতি এমনটাই বজায় থাকবে।

এদিকে কেবল কাঁচাসবজিই নয়, বাজারে মাছ ও মাংসের বাজারদরও আগের চড়া অবস্থাতেই স্থবির হয়ে আছে। মাংসের বাজারে দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি বা কক মুরগি ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাড়সহ গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮২০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের বাজারেও নেই কোনো বিশেষ স্বস্তি। আকার ও সাইজভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, মাঝারি ও বড় সাইজের তেলাপিয়া এবং পাঙ্গাস ৩০০ টাকা, মাঝারি চিংড়ি ৭৫০ টাকা এবং মলা মাছ ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, আড়ত ও বাজারে সবজির কোনো ধরনের ঘাটতি বা জোগান সংকট নেই; তবুও আশ্চর্যজনকভাবে আশানুরূপ দাম কমছে না। মানভেদে বেগুন এখনো ১০০ টাকা বা তার বেশি কেজিতে কিনতে হচ্ছে। পটলও বিভিন্ন বাজারে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে ঝুলছে।

মশিউর রহমান নামের এক ভুক্তভোগী ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত বছর আমরা একই সময়ে এই পটলের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় কিনেছি। আর এবার তা এক লাফে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমনকি চলতি মাসের শুরুতেও পটল ১২০ টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হয়েছে। সবজি, মাছ কিংবা মাংস—কোনোটাতেই এখন আর সাধারণ মানুষের স্বস্তি নেই। দিনদিন বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যের যে অপ্রতিরোধ্য বৃদ্ধি, তার সঙ্গে আমরা সাধারণ আয়ের মানুষেরা খাপ খাওয়াতে পারছি না। কবে যে একটু শান্তিতে বাজার করতে পারবো, জানা নেই।”

মনির হোসেন নামের অপর এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “সবজি থেকে শুরু করে মাছ, মাংস বা চাল-ডালের মুদিবাজার—কোথাও শান্তি মিলছে না। যেভাবে প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে, তাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন জীবন চালানো এখন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এভাবে লাগামহীনভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ পরিবারের দিশেহারা হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”

মনির হোসেনের মতে, সাধারণ খেটে খাওয়া ও সীমিত আয়ের মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগে বাজারব্যবস্থাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে মনিটরিং ও তদারকি করা জরুরি। সাধারণ মানুষ যাতে অন্তত নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারে, অবিলম্বে সরকারকে সেই ফলপ্রসূ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার তাগিদ দেন তিনি।