Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০ দফায় লাখ লাখ টাকা উধাও, নেপথ্যে বিকাশ অ্যাড মানি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা অবৈধভাবে তুলে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখা গেছে, মাত্র দুই দিনে বিকাশ অ্যাড মানির মাধ্যমে ৭০ দফায় গ্রাহকের হিসাব থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহক হলেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত হয় এই অর্থ চুরির ঘটনা। এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার পর সোমবার মাঠে নামে পুলিশ।

তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ভুক্তভোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন সদর, রামু ও ঈদগাঁও সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান। পরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক জানান, তিনি নিজে কোনো ধরনের মোবাইল অ্যাপস বা অনলাইন ব্যাংকিং কার্ড ব্যবহার করেন না। এমনকি তার মোবাইল ফোনে কোনো ওটিপি (OTP) বা সতর্কবার্তাও আসেনি। ব্যাংক হিসাব থেকে এভাবে টাকা উধাও হয়ে যাওয়ায় সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এএসপি মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিডির ভিত্তিতে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, গত রোববার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক তার এক কর্মচারীকে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য পাঠান। কিন্তু হিসাবে কোনো টাকা নেই বলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি নিজে ব্যাংকে গিয়ে হিসাব শূন্য থাকার বিষয়টি জানতে পারলে শাখা ব্যবস্থাপকের পরামর্শে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সদর সার্কেলকে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০ দফায় লাখ লাখ টাকা উধাও, নেপথ্যে বিকাশ অ্যাড মানি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা অবৈধভাবে তুলে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখা গেছে, মাত্র দুই দিনে বিকাশ অ্যাড মানির মাধ্যমে ৭০ দফায় গ্রাহকের হিসাব থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহক হলেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত হয় এই অর্থ চুরির ঘটনা। এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার পর সোমবার মাঠে নামে পুলিশ।

তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ভুক্তভোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন সদর, রামু ও ঈদগাঁও সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান। পরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক জানান, তিনি নিজে কোনো ধরনের মোবাইল অ্যাপস বা অনলাইন ব্যাংকিং কার্ড ব্যবহার করেন না। এমনকি তার মোবাইল ফোনে কোনো ওটিপি (OTP) বা সতর্কবার্তাও আসেনি। ব্যাংক হিসাব থেকে এভাবে টাকা উধাও হয়ে যাওয়ায় সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এএসপি মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিডির ভিত্তিতে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, গত রোববার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক তার এক কর্মচারীকে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য পাঠান। কিন্তু হিসাবে কোনো টাকা নেই বলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি নিজে ব্যাংকে গিয়ে হিসাব শূন্য থাকার বিষয়টি জানতে পারলে শাখা ব্যবস্থাপকের পরামর্শে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সদর সার্কেলকে।