Dhaka ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে আসছে নতুন গাইডলাইন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে পর্যটকদের রাতযাপন এবং ভ্রমণের সময়সীমায় নতুন নিয়ম যুক্ত হতে পারে।

দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশবিদ ও পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এসংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা—উভয় বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে এই নতুন গাইডলাইন বাস্তবায়ন করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় পর্যটকদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ওই নির্দেশিকায় নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে সীমিতসংখ্যক পর্যটককে রাতযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটকদের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ রাখার বিধান রেখে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্যমতে, এসব কঠোর বিধিনিষেধের কারণে গত এক বছরে দ্বীপের সামগ্রিক পর্যটন ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জীবিকার সংকট তৈরি হওয়ায় কিছু মানুষ বাধ্য হয়ে বিকল্প উপার্জনের পথ খুঁজতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত কড়াকড়ি শিথিল করার দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত সরকারের জারি করা বিধিনিষেধগুলোর মধ্যে যেগুলো বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক, কেবল সেগুলোই বহাল রাখা হতে পারে।

প্রবালসমৃদ্ধ সেন্টমার্টিন দ্বীপে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসুর সমাগম ঘটে এই দ্বীপে। পর্যটকদের আবাসন নিশ্চিত করতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট। সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি এম এ আবদুর রহিম জিহাদীর মতে, দ্বীপের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশৃঙ্খল ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার বিকল্প নেই।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে আসছে নতুন গাইডলাইন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে পর্যটকদের রাতযাপন এবং ভ্রমণের সময়সীমায় নতুন নিয়ম যুক্ত হতে পারে।

দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশবিদ ও পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এসংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা—উভয় বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে এই নতুন গাইডলাইন বাস্তবায়ন করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় পর্যটকদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ওই নির্দেশিকায় নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে সীমিতসংখ্যক পর্যটককে রাতযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটকদের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ রাখার বিধান রেখে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্যমতে, এসব কঠোর বিধিনিষেধের কারণে গত এক বছরে দ্বীপের সামগ্রিক পর্যটন ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জীবিকার সংকট তৈরি হওয়ায় কিছু মানুষ বাধ্য হয়ে বিকল্প উপার্জনের পথ খুঁজতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত কড়াকড়ি শিথিল করার দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত সরকারের জারি করা বিধিনিষেধগুলোর মধ্যে যেগুলো বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক, কেবল সেগুলোই বহাল রাখা হতে পারে।

প্রবালসমৃদ্ধ সেন্টমার্টিন দ্বীপে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসুর সমাগম ঘটে এই দ্বীপে। পর্যটকদের আবাসন নিশ্চিত করতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট। সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি এম এ আবদুর রহিম জিহাদীর মতে, দ্বীপের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশৃঙ্খল ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার বিকল্প নেই।