Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মিরসরাইয়ে গৃহায়ণ প্রকল্পের ৪২ কোটি টাকার অনিয়ম: এক দশকেও প্লট পাননি গ্রাহকরা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনের স্বপ্ন পূরণে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) প্রায় একই সময়ে দুটি আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছিল—একটি সোনাপাহাড়ে, অন্যটি কিছমত জাফরাবাদে। তবে দীর্ঘ এক দশকেও কোনোটিই সফলতার মুখ দেখেনি। অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, মামলা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে দুটি আবাসন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে।

উপজেলার ১৬ দশমিক ২৮ একর জমির ওপর বাস্তবায়নাধীন ‘কিছমত জাফরাবাদ’ আবাসন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৪২ কোটি ৩৭ লাখ ২১ হাজার টাকা। ১৬৩টি আবাসিক ও ৪টি বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হলেও প্রায় ১০ বছরেও উন্নয়নকাজ শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে কোনো গ্রাহকই প্লট বুঝে পাননি।

তদন্তে জানা গেছে, প্রকল্পে মাটি ভরাটের কাজে ভয়াবহ অনিয়ম করা হয়েছে। ৮৭ হাজার ৯৩ ঘনমিটার মাটি ভরাট দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও দুদকের নিরপেক্ষ প্রকৌশলীদের পরিমাপে পাওয়া যায় মাত্র ৪৩ হাজার ১২৯ ঘনমিটার। অসত্য তথ্য দিয়ে ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (চট্টগ্রাম-২) মামলা দায়ের করে।

এ মামলায় জাগৃকের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ, সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. অলিউল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী আশ্রাফুজ্জামান এবং ঠিকাদার মাঈনুল কবিরকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি জেলা স্পেশাল জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (চট্টগ্রাম-২)-এর উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে তদন্ত কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাসান অভিযোগ করেছেন, বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও জাগৃক নথিপত্র সরবরাহ না করায় তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও আসামি প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ ও আশ্রাফুজ্জামান তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

দীর্ঘ স্থবিরতার পর কিছমত জাফরাবাদ প্রকল্পটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ১৮ কোটি টাকার নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলেও ঠিকাদারদের শর্ত অপূরণীয় থাকায় পুনরায় দরপত্র আহ্বানের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানান জাগৃক চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম।

অন্যদিকে, ১৬.৪৮ একরের ‘সোনাপাহাড়’ প্রকল্পে ভূমি উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ শেষে ২০১৭ সালে…

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মিরসরাইয়ে গৃহায়ণ প্রকল্পের ৪২ কোটি টাকার অনিয়ম: এক দশকেও প্লট পাননি গ্রাহকরা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনের স্বপ্ন পূরণে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) প্রায় একই সময়ে দুটি আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছিল—একটি সোনাপাহাড়ে, অন্যটি কিছমত জাফরাবাদে। তবে দীর্ঘ এক দশকেও কোনোটিই সফলতার মুখ দেখেনি। অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, মামলা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে দুটি আবাসন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে।

উপজেলার ১৬ দশমিক ২৮ একর জমির ওপর বাস্তবায়নাধীন ‘কিছমত জাফরাবাদ’ আবাসন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৪২ কোটি ৩৭ লাখ ২১ হাজার টাকা। ১৬৩টি আবাসিক ও ৪টি বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হলেও প্রায় ১০ বছরেও উন্নয়নকাজ শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে কোনো গ্রাহকই প্লট বুঝে পাননি।

তদন্তে জানা গেছে, প্রকল্পে মাটি ভরাটের কাজে ভয়াবহ অনিয়ম করা হয়েছে। ৮৭ হাজার ৯৩ ঘনমিটার মাটি ভরাট দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও দুদকের নিরপেক্ষ প্রকৌশলীদের পরিমাপে পাওয়া যায় মাত্র ৪৩ হাজার ১২৯ ঘনমিটার। অসত্য তথ্য দিয়ে ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (চট্টগ্রাম-২) মামলা দায়ের করে।

এ মামলায় জাগৃকের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ, সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. অলিউল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী আশ্রাফুজ্জামান এবং ঠিকাদার মাঈনুল কবিরকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি জেলা স্পেশাল জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (চট্টগ্রাম-২)-এর উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে তদন্ত কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাসান অভিযোগ করেছেন, বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও জাগৃক নথিপত্র সরবরাহ না করায় তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও আসামি প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ ও আশ্রাফুজ্জামান তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

দীর্ঘ স্থবিরতার পর কিছমত জাফরাবাদ প্রকল্পটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ১৮ কোটি টাকার নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলেও ঠিকাদারদের শর্ত অপূরণীয় থাকায় পুনরায় দরপত্র আহ্বানের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানান জাগৃক চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম।

অন্যদিকে, ১৬.৪৮ একরের ‘সোনাপাহাড়’ প্রকল্পে ভূমি উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ শেষে ২০১৭ সালে…