Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মোংলায় বিকাশ-নগদের সিম জালিয়াতি, প্রতারক চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

বাগেরহাটের মোংলায় ক্লোন করা আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে বিকাশ ও নগদের ব্যবসায়িক সিম রি-ইস্যু করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা, ১১টি মুঠোফোন ও ২০টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার জানান, মোংলা উপজেলার চিলা বাজারের বিকাশ ও নগদের এজেন্ট সেলিম শেখের দুটি এবং অপর এজেন্ট বিপ্লব মণ্ডলের একটি ব্যবসায়িক সিম ডিজিটাল জালিয়াতির শিকার হয়। গত ২৭ জুন ভোরে ক্লোন করা আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে সিম তিনটি পুনরায় উত্তোলন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় চক্রটি। পরে ওই সিমগুলোতে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে ছয়টি বিকাশ ও নগদ নম্বরে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গত ১ জুলাই মোংলা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়। মামলা দায়েরের পর দিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোংলার মামার ঘাট এলাকা থেকে চক্রটির দুই সদস্য ইয়াছিন সওদাগর ও শামীম শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাটের যাত্রাপুর ও ফকিরহাট এলাকা থেকে আরও দুজনকে এবং র‍্যাবের সহযোগিতায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ইয়াছিন সওদাগর, শামীম শেখ, রাশেদ মোড়ল, এহসানুল হাসান রাকিব, ফেরদাউস, আশ্রাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মো. নাজমুল হাসান ও মো. মামুন গাজী। তারা সবাই বাগেরহাট, পটুয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ ও বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলায় বিকাশ-নগদের সিম জালিয়াতি, প্রতারক চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলায় ক্লোন করা আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে বিকাশ ও নগদের ব্যবসায়িক সিম রি-ইস্যু করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা, ১১টি মুঠোফোন ও ২০টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার জানান, মোংলা উপজেলার চিলা বাজারের বিকাশ ও নগদের এজেন্ট সেলিম শেখের দুটি এবং অপর এজেন্ট বিপ্লব মণ্ডলের একটি ব্যবসায়িক সিম ডিজিটাল জালিয়াতির শিকার হয়। গত ২৭ জুন ভোরে ক্লোন করা আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে সিম তিনটি পুনরায় উত্তোলন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় চক্রটি। পরে ওই সিমগুলোতে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে ছয়টি বিকাশ ও নগদ নম্বরে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গত ১ জুলাই মোংলা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়। মামলা দায়েরের পর দিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোংলার মামার ঘাট এলাকা থেকে চক্রটির দুই সদস্য ইয়াছিন সওদাগর ও শামীম শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাটের যাত্রাপুর ও ফকিরহাট এলাকা থেকে আরও দুজনকে এবং র‍্যাবের সহযোগিতায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ইয়াছিন সওদাগর, শামীম শেখ, রাশেদ মোড়ল, এহসানুল হাসান রাকিব, ফেরদাউস, আশ্রাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মো. নাজমুল হাসান ও মো. মামুন গাজী। তারা সবাই বাগেরহাট, পটুয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ ও বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।