ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump জাতির উদ্দেশে দেওয়া সাম্প্রতিক ভাষণে নতুন কোনো ঘোষণা দেননি। বরং আগের মতোই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সংক্ষিপ্ত এই ভাষণে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং শিগগিরই যুদ্ধ শেষ হবে। তবে কীভাবে এই যুদ্ধ শেষ হবে বা কোনো সমঝোতা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
বিশ্লেষকদের মতে, ভাষণটিতে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না। এটি মূলত গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেওয়া বক্তব্যগুলোরই পুনরাবৃত্তি। তারা বলছেন, এতে পরিষ্কার কোনো পরিকল্পনার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি।
ভাষণে ট্রাম্প যুক্তি দেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে এবং তা ব্যবহার করতে পারে, তাই এই যুদ্ধ প্রয়োজনীয়। তবে এর আগে তিনি নিজেই দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ইতোমধ্যে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব এবং অতীতের বিভিন্ন ঘটনার কারণেও এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
যদিও সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছে। এমনকি তার নিজের রাজনৈতিক সমর্থকদের মধ্যেও সমর্থন কমে যাচ্ছে।
ভাষণে ট্রাম্প কূটনৈতিক আলোচনা বা সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে কোনো উল্লেখ করেননি। যদিও এর আগে তিনি বারবার আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে গেছে এবং দেশটি আর আগের মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না। তবে ভাষণ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে নতুন হামলার খবর পাওয়া যায়।
অর্থনৈতিক প্রভাবের প্রসঙ্গেও তিনি কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বাড়লেও তিনি এটিকে সাময়িক সমস্যা বলে উল্লেখ করেন।
এছাড়া ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও হামলার হুমকিও দেন তিনি। সমালোচকদের মতে, এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে।
সব মিলিয়ে ভাষণটি বড় কোনো নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত না দিয়ে বরং চলমান অবস্থানকেই পুনরায় তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
















