মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্তজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে টানা গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ায় টেকনাফ ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত দুই দিন ধরে রাখাইনের মংডু, বুথিডংসহ বিভিন্ন এলাকায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণের তীব্রতায় অনেক বাড়িঘর কেঁপে উঠেছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
রোহিঙ্গা শিবিরের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, রাখাইনের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। প্রাণ বাঁচাতে অনেক রোহিঙ্গা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন এবং সীমান্তের দিকে সরে আসছেন।
তবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাফ নদীর তীরে নতুন করে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জড়ো হওয়ার তথ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সীমান্তে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত নতুন করে অনুপ্রবেশের কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকায় টহল বৃদ্ধি করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
এদিকে মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও। সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় দেশটির কর্তৃপক্ষ তাক প্রদেশের সব সীমান্ত পারাপার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করেছে।
















